যেকোনো কঠিন বিপদে আল্লাহর দিকে ফিরে আন্তরিকভাবে দোয়া করা নবী-রাসুলদের অন্যতম সুন্নত। আর এমনই এক মহিমান্বিত ও বরকতময় আমল হলো ‘দোয়া ইউনুস’। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এই দোয়ার ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে বিশেষ সুসংবাদ দিয়েছেন।
হাদিসে এসেছে, ‘জুন-নন (ইউনুস আ.)-এর দোয়া ছিল—“লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন।” কোনো মুসলিম ব্যক্তি যদি কোনো বিষয়ে এ দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে, আল্লাহ অবশ্যই তার দোয়া কবুল করেন।’ (জামে তিরমিজি: ৩৫০৫)। অন্যান্য বর্ণনায় এসেছে, এই মোবারক দোয়া মানুষের মানসিক দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ও কঠিন সংকট দূর করার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল।
নিয়মিত ও আন্তরিকতার সঙ্গে দোয়া ইউনুস পাঠ করলে আল্লাহর রহমতে নিম্নলিখিত উপকারগুলো লাভ করা যায়:
১. যেকোনো বড় বিপদ-আপদ ও কঠিন সংকট থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার পথ সুগম হয়।
২. মন থেকে সব ধরনের দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, ভয় ও মানসিক অস্থিরতা দূর হয়।
৩. আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল (ভরসা) এবং ইমানের ভিত আরও মজবুত হয়।
৪. নিজের ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তওবা করার অভ্যাস গড়ে ওঠে।
৫. আল্লাহর বিশেষ রহমত, দয়া ও সাহায্য লাভের পথ উন্মুক্ত হয়।
দোয়া ইউনুস পাঠের জন্য ইসলামি শরিয়তে কোনো সুনির্দিষ্ট সময় বা সংখ্যা (যেমন ১ লক্ষ ২৫ হাজার বার) নির্ধারণ করা হয়নি। আমাদের সমাজে প্রচলিত নির্দিষ্ট সংখ্যা মেপে যে ‘খতমে ইউনুস’ পড়ানো বা আয়োজন করা হয়, তার কোনো স্পষ্ট শরয়ি দলিল বা সহিহ হাদিসের ভিত্তি নেই। ইসলামের মূল শিক্ষা হলো—বিপদগ্রস্ত বান্দা নিজেই নিজের হৃদয়ের আকুতি নিয়ে আল্লাহর কাছে কাঁদবে ও ক্ষমা চাইবে।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
যারা আগেভাগে মসজিদে আসে এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনে—তাদের জন্য রয়েছে অতুলনীয় সওয়াবের প্রতিশ্রুতি। এমনকি কারও নামের পাশে লেখা হতে পারে উট সদকার সওয়াবও! হাদিস ও কোরআনের আলোকে আমরা জেনে নিতে পারি—এই দিনটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং তা কীভাবে যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায়।
১ দিন আগে
তৎকালীন আরব সমাজ যখন ঘোর অমানিশায় আচ্ছন্ন ছিল, মজলুমের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠছিল আকাশ-বাতাস, আর মানবসভ্যতা বঞ্চনার হিমালয়ের নিচে ডুকরে কাঁদছিল—ঠিক তখনই ন্যায়বিচারের উজ্জ্বল ধ্রুবতারা হয়ে আগমন করেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
১ দিন আগে
একটি সংসারের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন দুজন মানুষ—স্বামী ও স্ত্রী। একই ছাদের নিচে আলাদা চিন্তা ও অভ্যাসের দুজন মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সহনশীলতার মাধ্যমে গড়ে তোলেন একটি নতুন জীবন। সুখী সংসার এক দিনে গড়ে ওঠে না; তা সময়ের পরতে পরতে নির্মিত হয়। সংসারের এই হাসি ইহকাল পেরিয়ে...
১ দিন আগে