হজ ও ওমরাহর প্রধান শর্ত হলো ইহরাম। ইহরাম বাঁধার পর একজন হাজি বা ওমরাহ পালনকারীর ওপর নির্দিষ্ট কিছু কাজ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এই নিষিদ্ধ কাজগুলো লঙ্ঘন করলে হজে ত্রুটি হতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে ‘দম’ বা জরিমানা দেওয়া ওয়াজিব হয়ে পড়ে।
নিচে ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকা দেওয়া হলো:
যদি কেউ ভুলবশত বা অজ্ঞতাবশত কোনো নিষিদ্ধ কাজ করে ফেলে, তবে দ্রুত আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তবে যদি চুল কাটা বা সুগন্ধি ব্যবহারের মতো বড় কোনো লঙ্ঘন হয়, তবে ইসলামি বিধান অনুযায়ী জরিমানা বা ‘দম’ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

মানুষ সামাজিক জীব। দৈনন্দিন জীবনে তাকে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় চলাফেরা করতেই হয়। এই চলাচলের মধ্যেও ইসলামের রয়েছে নির্দিষ্ট আদব ও শিষ্টাচার। রাস্তা কেবল চলার স্থান নয়, এটি সামাজিক আচরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। চলাফেরার ক্ষেত্রে তাই শরিয়তের নিয়ম মেনে চলা উচিত।
৭ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৪ ঘণ্টা আগে
লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক—ধ্বনিতে মুখরিত হজের সফর মুমিনের জন্য পরম পাওয়া। এই মহান ইবাদতকে মহানবী (সা.)-এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করাই হলো প্রকৃত সফলতা। হজের ফরজ ও ওয়াজিব কাজগুলোর পাশাপাশি সুন্নত বিধানগুলোর প্রতি যত্নশীল হওয়া হাজিদের নৈতিক দায়িত্ব। কারণ সুন্নতের মাঝেই লুকিয়ে থাকে ইবাদতের নুর।
১ দিন আগে
মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হলো বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ। এই আকর্ষণকে পবিত্র ও হালাল করার একমাত্র মাধ্যম হলো বিয়ে। ইসলামে বিয়েকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বরকতময় ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
১ দিন আগে