গুনাহ মূলত দুই প্রকার; ১. সগিরা গুনাহ (ছোট পাপ) এবং ২. কবিরা গুনাহ (মহাপাপ)। কবিরা গুনাহ থেকে মাফ পেতে খাঁটি মনে তওবা করা আবশ্যক। তওবা ছাড়া কবিরা গুনাহ মাফ হয় না; এমনকি কোনো কোনো কবিরা গুনাহের ক্ষেত্রে তওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করলে কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারিও হাদিসে এসেছে। অন্যদিকে দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন নেক আমল ও ইবাদতের মাধ্যমে বান্দার সগিরা বা ছোট গুনাহগুলো ঝরে যায়।
নিচে হাদিসে বর্ণিত সহজ ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দুটি আমল তুলে ধরা হলো; যা নিয়মিত করলে বান্দার সগিরা গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়:
নামাজের পূর্বে আমরা যে অজু করি, তা শুধু হাত-মুখ ধোয়ার আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং অজুর মাধ্যমে বান্দার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে পাপ ঝরে পড়ে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যখন কোনো মুসলিম বা মুমিন বান্দা অজু করে মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন অজুর পানি কিংবা পানির শেষ ফোঁটার সঙ্গে সঙ্গে তার চেহারা থেকে চোখের দ্বারা করা সব (সগিরা) গুনাহ ধুয়েমুছে বের হয়ে যায়। আবার যখন সে দুই হাত ধৌত করে, তখন পানির ফোঁটার সঙ্গে সঙ্গে হাতের দ্বারা সংঘটিত সব গুনাহ ঝরে যায়। এভাবে অজু শেষ হতে হতে বান্দা তার সব (ছোট) গুনাহ থেকে একদম পবিত্র হয়ে যায়।’ (জামে তিরমিজি: ২)
মহান আল্লাহর প্রশংসাসূচক কিছু জিকির বা কালেমা পাঠের মাধ্যমেও মুহূর্তেই বান্দার গুনাহ ঝরে যায়।
হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি শুকনো পাতাবিশিষ্ট গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি হাতের লাঠি দিয়ে গাছটিতে হালকা আঘাত করতেই শুকনো পাতাগুলো ঝরঝর করে নিচে পড়ে গেল। দৃশ্যটি দেখিয়ে নবী কারিম (সা.) সাহাবিদের বললেন, ‘কোনো বান্দা যখন আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এবং আল্লাহু আকবার পাঠ করে, তখন তার গুনাহগুলো ঠিক এভাবেই ঝরে পড়ে, যেভাবে এই গাছের পাতাগুলো ঝরে পড়ল।’ (জামে তিরমিজি: ৩৫৩৩)

দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি পদে, প্রতিটি নিশ্বাসে মানুষ মহান আল্লাহর করুণা ও সাহায্যের মুখাপেক্ষী। রবের সাহায্য ছাড়া মানুষের কোনো প্রচেষ্টা বা প্রার্থনাই পূর্ণতা পায় না। আর আল্লাহর অফুরন্ত রহমত ও অনুকম্পা লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো ‘দোয়া’।
১ ঘণ্টা আগে
মুমিনের দৈনন্দিন প্রতিটি বৈধ কর্ম, যদি তা সঠিক নিয়তে এবং শরিয়তের সীমারেখা মেনে সম্পাদন করা হয়, তবে তা-ই ইবাদতে পরিণত হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন, আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু—সবই বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।’ (সুরা আনআম: ১৬২)। জীবনের সবকিছুই যখন আল্লাহর জন্য....
৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১০ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা সমবেত হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে যে নামাজ আদায় করেন, সেটিই জুমার নামাজ। এর গুরুত্ব এত বেশি যে, পবিত্র কোরআনে ‘জুমুআহ’...
১ দিন আগে