ইসলামের ইতিহাসে খোলাফায়ে রাশেদীন বা পথপ্রাপ্ত চার খলিফার অবদান অপরিসীম। তাঁরা ছিলেন ইসলামের স্তম্ভ। তাঁদের জীবন থেকে আমরা সততা, ন্যায়বিচার এবং সাহসিকতার শিক্ষা পাই।
১. প্রথম খলিফা আবু বকর (রা.)
নবীজি (সা.)-এর হিজরতের সাথি আবু বকর (রা.) ৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের মধ্যে তিনি প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। নবীজি (সা.)-এর মৃত্যুর পর সবার সম্মতিতে তিনি খলিফা নির্বাচিত হন এবং ২৭ মাস দায়িত্ব পালন করেন। (সহিহ্ বুখারি: ৬৮৩০)
২. দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.)
ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ৫৮৩ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণে মুসলমানেরা সাহস পান এবং তাঁর উদ্যোগে প্রথম মক্কায় প্রকাশ্যে নামাজ আদায় করা হয়। একজন দক্ষ যোদ্ধা, কবি এবং ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিল। আবু বকর (রা.) মৃত্যুর আগে বিশিষ্ট সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে উমর (রা.)-কে খলিফা বানান। পরে সব সাহাবি তা মেনে নেন। তাঁর শাসনকাল ছিল ১০ বছর ৬ মাস ৩ দিন। (তারিখে তাবারি: ২/৩৫২)
৩. তৃতীয় খলিফা উসমান (রা.)
উসমান ইবনে আফফান (রা.) ৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নবীজি (সা.)-এর দুই কন্যার স্বামী হওয়ার কারণে ‘জুন নুরাইন’ উপাধিতে ভূষিত হন। তিনি অত্যন্ত দয়ালু এবং লাজুক প্রকৃতির ছিলেন। নিজস্ব অর্থ ব্যয় করে ইসলামের অনেক সংকট দূর করেছেন। ওমর (রা.)-এর গঠিত ৬ সদস্যের মজলিশে শুরার সিদ্ধান্তে তিনি খলিফা হন। তাঁর শাসনকাল ছিল ১১ বছর ১১ মাস ৪ দিন। (সহিহ্ বুখারি: ৩৭০০)
৪. চতুর্থ খলিফা আলী (রা.)
আলী (রা.) ছিলেন নবীজি (সা.)-এর চাচাতো ভাই এবং জামাতা। তিনি ৬০০ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নবীজি (সা.)-এর প্রিয় কন্যা ফাতেমা (রা.)-এর স্বামী এবং হাসান ও হোসাইন (রা.)-এর পিতা। বালকদের মধ্যে তিনি প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন অসামান্য বীর এবং সেরা জ্ঞানীদের একজন। উসমান (রা.)-এর শাহাদাতের পর সাহাবিদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে তিনি খলিফা নির্বাচিত হন। তাঁর শাসনকাল ছিল ৪ বছর ৮ মাস ২৩ দিন।

মানুষের জীবন এক অনিশ্চিত যাত্রা। কখন কোন বিপদ সামনে আসবে কিংবা কোন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য অমঙ্গল ডেকে আনবে, তা আমরা কেউ জানি না। অনেক সময় মানুষের নিজের ভুল নয়, বরং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষাস্বরূপ কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসলামি সংস্কৃতিতে একে অপরের সঙ্গে দেখা হলে কুশল বিনিময়ের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো সালাম। সালাম দেওয়া সুন্নত হলেও সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব বা আবশ্যক। তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই সঠিক নিয়মে সালামের উত্তর দেওয়ার বিধান সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে