জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য পেতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় | -- | ০৫: ১৪ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ১৯ মিনিট | ০৬: ৩৫ মিনিট |
| জোহর | ১২: ১৩ মিনিট | ০৪: ১১ মিনিট |
| আসর | ০৪: ১২ মিনিট | ০৫: ৪৯ মিনিট |
| মাগরিব | ০৫: ৫২ মিনিট | ০৭: ০৫ মিনিট |
| এশা | ০৭: ০৬ মিনিট | ০৫: ১৪ মিনিট |
ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন:
বিয়োগ করতে হবে
যোগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

ইসলামের ইতিহাসে খোলাফায়ে রাশেদীন বা পথপ্রাপ্ত চার খলিফার অবদান অপরিসীম। তাঁরা ছিলেন ইসলামের স্তম্ভ। তাঁদের জীবন থেকে আমরা সততা, ন্যায়বিচার এবং সাহসিকতার শিক্ষা পাই।
১ ঘণ্টা আগে
তাকাসুর শব্দের অর্থ প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা বা অহংকার। মক্কার দুটি গোত্র (বনি আবদে মানাফ ও বনি সাহাম) নিজেদের সংখ্যাধিক্য ও আভিজাত্য নিয়ে গর্ব করতে করতে একপর্যায়ে কবরস্থানে গিয়ে মৃত ব্যক্তিদের নিয়ে বড়াই শুরু করে। এই হীন মানসিকতা ও আখিরাত ভুলে দুনিয়া নিয়ে মত্ত থাকার পরিণামেই এই সুরা নাজিল হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
নেতৃত্ব মানবসভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইসলাম নেতৃত্বকে শুধু ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব হিসেবে দেখে না, একে আমানত ও দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। শাসক তার প্রজা
১ দিন আগে
প্রতিবছরের ন্যায় রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের বার্তা নিয়ে আমাদের দ্বারে আবারও কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটি মূলত সওয়াব অর্জন, আত্মিক পূর্ণতা এবং নেক আমলের মাস। এ মাসের প্রতিটি আমলের সওয়াব অন্য মাসের তুলনায় বহুগুণ বেশি। তাই একজন সাধারণ মুমিনের মনেও এই আকাঙ্ক্ষা জাগে, কীভাবে মাসটিকে ইবাদতের মাধ্যমে
১ দিন আগে