বৃষ্টি আল্লাহ তাআলার অপার নিয়ামত। তবে অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস, ভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। তাই অতিবৃষ্টি থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া উচিত।
আনাস (রা.) বলেন, একবার জুমার দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) খুতবা দিচ্ছিলেন। এক সাহাবি মসজিদে ঢুকে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, (অনাবৃষ্টির কারণে) জীবজন্তু মরে গেছে। পথ বন্ধ হয়ে গেছে। আল্লাহ তাআলার কাছে আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
তখন রাসুল (সা.) দুই হাত উঠিয়ে দোয়া করতে শুরু করেন, ‘আল্লাহুম্মাসকিনা, আল্লাহুম্মাসকিনা, আল্লাহুম্মাসকিনা।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমাদের বৃষ্টি দান করুন। হে আল্লাহ, আমাদের বৃষ্টি দান করুন। হে আল্লাহ, আমাদের বৃষ্টি দান করুন।’
আনাস (রা.) বলেন, আল্লাহর কসম! তখন আকাশে বিন্দুমাত্র মেঘের ছোঁয়াও ছিল না, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দোয়ার পর আকাশে মেঘের উদয় হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো আকাশ মেঘে ছেয়ে যায়। এরপর মুষলধারে বৃষ্টি আরম্ভ হয়।
আনাস (রা.) আরও বলেন, আল্লাহর কসম! পরের ছয় দিন আমরা সূর্য দেখিনি। পরের জুমায় ফের ওই ব্যক্তি যখন মসজিদে প্রবেশ করেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) খুতবা দিচ্ছিলেন। ওই ব্যক্তি আরজ করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, ধনসম্পদ সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পানিতে পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে, আল্লাহর কাছে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার দোয়া করুন।
তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই হাত উঁচিয়ে দোয়া করলেন, ‘আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা; আল্লাহুম্মা আলাল আ-কাম ওয়াজ জিরাব ওয়া বুতুনিল আওদিআ; ওয়া মানাবিতিস শাজার।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমাদের আশপাশে বৃষ্টি দিন, আমাদের ওপরে নয়। হে আল্লাহ, পাহাড়-টিলা, খাল-নালা এবং গাছ-উদ্ভিদ গজানোর স্থানগুলোয় বৃষ্টি দিন।’
বর্ণনাকারী বলেন, ‘তখনই বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়, এরপর আমরা নামাজ শেষে রোদের মধ্যে বের হই।’ (বুখারি: ১০১৩)

আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন এবং দুনিয়ার জীবনে সঠিকভাবে চলার জন্য কিছু বিধান ও নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এসব বিধান পালন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য; কারণ এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের অধিকার সংরক্ষিত হয় এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন আজীবন এক আপসহীন ব্যক্তিত্ব। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা কিংবা যুদ্ধক্ষেত্র—যেকোনো চরম প্রতিকূল পরিস্থিতি ও শত্রুভাবাপন্ন পরিবেশেও তিনি কখনো নিজের স্থান থেকে তিল পরিমাণ বিচ্যুত হননি।
১১ ঘণ্টা আগে
জুমাবার একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন। এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, ইমানি চেতনা ও সামাজিক সংহতির প্রতীক। বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান মসজিদে সমবেত হয়ে এ দিন আল্লাহর ইবাদত করেন। কিন্তু এই ইবাদতের সূচনা কীভাবে হয়েছিল? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে নবুওয়াতের শুরুর যুগে।
১১ ঘণ্টা আগে
তথ্যপ্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ ও গতিশীল করেছে। বর্তমানে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ ও বার্তা আদান-প্রদানের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো কিংবা ই-মেইল। দূর-দূরান্তে থাকা স্বজন বা পরিচিতজনদের সঙ্গে মুহূর্তেই মেসেজ বা ভয়েস পাঠাতে এই অ্যাপসগুলোর জুড়ি নেই।
১১ ঘণ্টা আগে