সংকল্প আর দৃঢ়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সৌদি আরবের সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা হামদাহ বিনতে আহমাদ সাআদ আল-গামদি। দীর্ঘ দুই দশক ধরে নিরলস পরিশ্রমের পর ৭০ বছর বয়সে তিনি পবিত্র কোরআনের সম্পূর্ণ ৩০ পারা মুখস্থ করার বিরল সম্মান অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সাবক জানায়, সৌদি আরবের কোরআন শিক্ষা সংস্থা তারতিলের আল-বাহা শাখার নিয়মিত শিক্ষার্থী হামদাহ আল-গামদি। তিনি হিফজুল কোরআনের সবক শুরু করেছিলেন বেশ কয়েকজন দক্ষ শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে।
শিক্ষিকারা জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও বার্ধক্য সত্ত্বেও এই কোরআনের হাফেজা ছিলেন অধ্যবসায়ের এক মূর্ত প্রতীক। তিনি নিয়মিত ক্লাসে আসতেন এবং তাঁর মধ্যে কোরআন মুখস্থ করার এক অসাধারণ স্পৃহা ছিল।
তাঁরা আরও বলেন, ‘শারীরিক প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি যে আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে উপস্থিত হতেন, তা আমাদের জন্য এক গভীর অনুপ্রেরণা। এটি প্রমাণ করে, দৃঢ় সংকল্প থাকলে বয়স কোনো বাধা নয়।’
এই উপলক্ষে হামদাহ আল-গামদির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে তাঁর নিকটাত্মীয়, শিক্ষক ও অনন্য শিক্ষার্থী তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক আবেগঘন মুহূর্তে সবাই দোয়া করেন, আল্লাহ যেন তাঁর এই প্রচেষ্টাকে দুনিয়া ও আখিরাতের আলো এবং মুক্তির কারণ করে দেন।
অনুষ্ঠানে তারতিলের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান অধ্যাপক আলী আস-সুরু এই অর্জনের জন্য হামদাহ আল-গামদি এবং তাঁর পরিবারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
অধ্যাপক আলী আস-সুরু বলেন, এই অসামান্য প্রচেষ্টার প্রতি যথাযথ সম্মান জানাতে শিগগির বড় আকারে একটি আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মাধ্যমে এই হাফেজাকে সম্মানিত করা হবে, যেন আগামী প্রজন্মও এর মাধ্যমে কোরআন হিফজের প্রতি উৎসাহিত হয়।

হাজিদের পদচারণায় মুখরিত হতে যাচ্ছে কাবা প্রাঙ্গণ। শুরু হয়েছে হজের ফ্লাইট—বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে সৌভাগ্যবান মুসলমানরা ছুটছেন মক্কার পানে। হজ আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও বিশ্বভ্রাতৃত্বের এক অনন্য মহড়া। ইসলামের এই পঞ্চম স্তম্ভ মানুষকে শেখায় সমতা, একতা এবং পরম রবের প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।
৮ ঘণ্টা আগে
জিলহজ ইসলামের অন্যতম সম্মানিত ও ফজিলতপূর্ণ মাস, যা আমাদের মাঝে নিয়ে আসে পবিত্র হজ ও মহান ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত কোরবানি। পবিত্র কোরআনে এই মাসের প্রথম ১০ রাতকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বছরের অন্যান্য সাধারণ দিনের তুলনায় জিলহজের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
হজের দীর্ঘ ইতিহাসে অগণিত পুরুষ পরিব্রাজক তাঁদের অভিজ্ঞতার ডালি সাজিয়ে ভ্রমণকাহিনি লিখেছেন। কিন্তু কোনো নারীর হাতে লেখা প্রথম হজ ভ্রমণকাহিনির কৃতিত্ব যাঁর, তিনি কোনো সাধারণ নারী নন, ভারতের ভূপাল রাজ্যের প্রতাপশালী শাসক নবাব সিকান্দার বেগম। ১৮৬৪ সালে লেখা তাঁর এই সফরনামাটিকে বলা যায়...
১৪ ঘণ্টা আগে
হজ ও ওমরাহর পবিত্র সফরে হাজিদের মুখে সবচেয়ে বেশি যে ধ্বনিটি উচ্চারিত হয়, তা হলো ‘তালবিয়া’। এটি মহান আল্লাহর ডাকে বান্দার সাড়া দেওয়ার এক বিশেষ স্লোগান। ইহরাম বাঁধার পর থেকে হজের বিভিন্ন আমল চলাকালীন তালবিয়ার গুঞ্জরণে মুখরিত থাকে মক্কা ও মিনা প্রান্তর। তবে তালবিয়া পড়ার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও সময় রয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে