ইসলাম ডেস্ক

হজরত হোসাইন (রা.) ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কন্যা ফাতেমার দ্বিতীয় সন্তান। তিনি চতুর্থ হিজরির ৩ শাবান মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর রাসুল (সা.) তাঁর কানে আজান দেন, সপ্তম দিনে আকিকা করেন এবং মাথার চুল পরিমাণ রূপা সদকা করেন। তাঁর বাবা ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা ও রাসুল (সা.)-এর চাচাত ভাই হজরত আলী (রা.)।
শারীরিক গঠন, আকৃতি ও চারিত্রিক গুণাবলির দিক থেকে হজরত হোসাইন ছিলেন প্রিয়তম নানা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতিচ্ছবি। হজরত হোসাইন অধিক পরিমাণে রোজা রাখতেন এবং নামাজ আদায় করতেন। তাঁর দান-দক্ষিণার হাত ছিল সদা প্রসারিত। অসহায় ও মিসকিনদের সঙ্গে ওঠাবসা ছিল তাঁর পছন্দের বিষয়।
রাসুল (সা.) হজরত হোসাইনকে আনন্দদানের উদ্দেশ্যে তাঁর সঙ্গে খেলায় মেতে উঠতেন। বুকে জড়িয়ে চুমু খেতেন আর বলতেন, ‘হোসাইন আমার; আমি হোসাইনের।’ (তারিখে কাবির) হজরত হোসাইন ও তাঁর বড় ভাই হাসানের মর্যাদা সম্পর্কে নবী (সা.) বলেছেন, ‘হাসান ও হোসাইন প্রত্যেকেই জান্নাতি যুবকদের সর্দার।’ (তিরমিজি) অন্য এক হাদিসে তাঁদের মর্যাদা সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘হে আল্লাহ, আমি এই দুজনকে ভালোবাসি। সুতরাং তুমি তাদের ভালোবাসো এবং যে ব্যক্তি তাদের ভালোবাসবে, তুমি তাদেরও ভালোবাসো।’ (তিরমিজি)
হজরত হোসাইনের শাহাদাত সম্পর্কে আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন মহানবী (সা.)। তাঁর হত্যাকারীদের কঠিন পরিণতির কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ভূমিতে হোসাইনকে হত্যা করা হবে জিব্রাঈল আমাকে সে স্থানের মাটি দেখিয়েছেন। যে ব্যক্তি হোসাইনের রক্ত ঝরাবে সে মহান আল্লাহর রোষানলে পতিত হবে। হে আয়শা, এ ঘটনা আমাকে অত্যন্ত ব্যথিত করে। আমার উম্মতের মধ্যে কে সেই ব্যক্তি, যে আমার হোসাইনকে হত্যা করবে?’ (কান্জুল উম্মাল)

হজরত হোসাইন (রা.) ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কন্যা ফাতেমার দ্বিতীয় সন্তান। তিনি চতুর্থ হিজরির ৩ শাবান মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর রাসুল (সা.) তাঁর কানে আজান দেন, সপ্তম দিনে আকিকা করেন এবং মাথার চুল পরিমাণ রূপা সদকা করেন। তাঁর বাবা ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা ও রাসুল (সা.)-এর চাচাত ভাই হজরত আলী (রা.)।
শারীরিক গঠন, আকৃতি ও চারিত্রিক গুণাবলির দিক থেকে হজরত হোসাইন ছিলেন প্রিয়তম নানা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতিচ্ছবি। হজরত হোসাইন অধিক পরিমাণে রোজা রাখতেন এবং নামাজ আদায় করতেন। তাঁর দান-দক্ষিণার হাত ছিল সদা প্রসারিত। অসহায় ও মিসকিনদের সঙ্গে ওঠাবসা ছিল তাঁর পছন্দের বিষয়।
রাসুল (সা.) হজরত হোসাইনকে আনন্দদানের উদ্দেশ্যে তাঁর সঙ্গে খেলায় মেতে উঠতেন। বুকে জড়িয়ে চুমু খেতেন আর বলতেন, ‘হোসাইন আমার; আমি হোসাইনের।’ (তারিখে কাবির) হজরত হোসাইন ও তাঁর বড় ভাই হাসানের মর্যাদা সম্পর্কে নবী (সা.) বলেছেন, ‘হাসান ও হোসাইন প্রত্যেকেই জান্নাতি যুবকদের সর্দার।’ (তিরমিজি) অন্য এক হাদিসে তাঁদের মর্যাদা সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘হে আল্লাহ, আমি এই দুজনকে ভালোবাসি। সুতরাং তুমি তাদের ভালোবাসো এবং যে ব্যক্তি তাদের ভালোবাসবে, তুমি তাদেরও ভালোবাসো।’ (তিরমিজি)
হজরত হোসাইনের শাহাদাত সম্পর্কে আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন মহানবী (সা.)। তাঁর হত্যাকারীদের কঠিন পরিণতির কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ভূমিতে হোসাইনকে হত্যা করা হবে জিব্রাঈল আমাকে সে স্থানের মাটি দেখিয়েছেন। যে ব্যক্তি হোসাইনের রক্ত ঝরাবে সে মহান আল্লাহর রোষানলে পতিত হবে। হে আয়শা, এ ঘটনা আমাকে অত্যন্ত ব্যথিত করে। আমার উম্মতের মধ্যে কে সেই ব্যক্তি, যে আমার হোসাইনকে হত্যা করবে?’ (কান্জুল উম্মাল)

ইসলামের ইতিহাসে সাহাবিরা হলেন নবীজি (সা.)-এর নুরানি পরশ পাওয়া অনন্য জামাত। তাঁরা ছিলেন নবীজির সহচর। ইসলামের সুমহান সত্য প্রচারে নিজেদের জীবন ও সম্পদ উৎসর্গ করেছিলেন তাঁরা। সাহাবিদের জীবন আমাদের জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা এবং চিরন্তন অনুপ্রেরণার উৎস।
২ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবন বৈচিত্র্যে ভরপুর; কখনো সুখের হাসি, কখনো দুঃখের প্লাবন। বিপদ-আপদ বা অসুস্থতা এলে আমরা অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ি; কিন্তু মুমিনের জীবনে রোগব্যাধি কেবল কষ্ট নয়, বরং তা কখনো আল্লাহর বিশেষ পরীক্ষা ও ভালোবাসার নিদর্শন।
৮ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১৫ ঘণ্টা আগে
গিবত অর্থ পরনিন্দা, দোষচর্চা বা কুৎসা রটনা করা। বর্তমান সমাজে গিবত একটি ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। আড্ডা, বিনোদন কিংবা সামান্য রাগের বশে আমরা অন্যের অনুপস্থিতিতে এমন অনেক কথা বলে ফেলি, যা তার সামনে বললে সে কষ্ট পেত।
১ দিন আগে