ইসলামি সংস্কৃতিতে একে অপরের সঙ্গে দেখা হলে কুশল বিনিময়ের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো সালাম। সালাম দেওয়া সুন্নত হলেও সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব বা আবশ্যক। তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই সঠিক নিয়মে সালামের উত্তর দেওয়ার বিধান সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন।
কোরআনের আলোকে সালামের জবাব
সালামের উত্তর কেমন হবে, সে সম্পর্কে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ‘আর যখন তোমাদের অভিবাদন জানানো হয় (সালাম দেওয়া হয়), তখন তোমরাও তার চেয়ে উত্তম অভিবাদন জানাও অথবা একই ধরনের জানাও।’ (সুরা নিসা: ৮৬)
এই আয়াত থেকে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়: ক. সালামের জবাব দেওয়া আবশ্যক বা ওয়াজিব। খ. সালামদাতার চেয়ে উত্তমভাবে বা বাড়িয়ে জবাব দেওয়া বেশি ফজিলতপূর্ণ। তাই কেউ যদি আপনাকে ছোট করে সালাম দেয়—আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। তখন আপনি উত্তর বাড়িয়ে দেবেন—ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু; তাহলে কোরআনের আয়াতের ওপর আপনার আমল হয়ে যাবে।
সালামের উত্তর দেওয়ার নিয়ম
সালামের উত্তর সুন্দরভাবে এবং সালাম প্রদানকারীকে শুনিয়ে দেওয়া উত্তম। এতে পারস্পরিক আন্তরিকতা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। তবে কেউ যদি নিভৃতে বা মনে মনে উত্তর দেয়, তবে ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে;
কিন্তু সালামের মূল উদ্দেশ্য বা সুন্নাহর পূর্ণ সওয়াব অর্জিত হবে না।
অমুসলিমের সালামের জবাব
যদি কোনো অমুসলিম আপনাকে সালাম দেয়, তবে তার উত্তরে পূর্ণ সালাম না বলে শুধু ‘ওয়া আলাইকা’ বা ‘ওয়া আলাইকুম’ বলার বিধান রয়েছে। (সহিহ্ বুখারি)
লিখিত সালামের জবাব
চিঠি, মেসেজ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সালাম পেলে তার জবাব দেওয়াও ওয়াজিব। আপনি চাইলে লিখে উত্তর দিতে পারেন অথবা মুখে উচ্চারণ করেও জবাব দিতে পারেন।
কখন সালামের উত্তর দেওয়া যাবে না?
ইসলামে কিছু বিশেষ অবস্থায় সালাম দেওয়া বা উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে:
১. টয়লেট বা বাথরুমে থাকা অবস্থায়।
২. খুতবা চলাকালে।
৩. নামাজ আদায় করা অবস্থায়।

মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
৬ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৮ ঘণ্টা আগে
আমরা আখিরাতের অনন্ত জীবনের যাত্রী। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পাবে পরকালে—যার শেষ পরিণতি হয় চিরসুখের জান্নাত, না হয় ভয়াবহ জাহান্নাম। আজকাল আমরা অঢেল ধনসম্পদ, বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি কিংবা সমাজের উঁচু পদমর্যাদাকেই ‘সফলতা’ বলে ধরে নিয়েছি।
২ দিন আগে