
ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন, ঘরে প্রবেশের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করলে পরিবারে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকে এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে ঘর সুরক্ষিত থাকে।
বাসায় প্রবেশের সময় প্রথমে ডান পা দেওয়া এবং ডান পা দেওয়ার পর ‘বিসমিল্লাহ’ পড়া সুন্নত। এরপর নবীজি (সা.)-এর শেখানো এই বরকতময় দোয়াটি পাঠ করতে হয়, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাল মাউলাজি, ওয়া খাইরাল মাখরাজি; বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা; ওয়া আলাল্লাহি রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট আগমন ও প্রস্থানের কল্যাণ চাই। আপনার নামে আমরা প্রবেশ করি এবং আপনার নামেই বের হই, আর আমাদের রব আল্লাহর ওপরই আমরা ভরসা করি।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৫০৯৬)
যদি কেউ পুরো দোয়া তাৎক্ষণিকভাবে মনে করতে না পারেন, তবে হাদিসের আরেকটি বর্ণনা অনুযায়ী সংক্ষেপে—‘বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা, ওয়া আলাল্লাহি রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা’ বললেও সুন্নত আদায় হয়ে যাবে।
দোয়া পড়ার পর ঘরের লোকজনকে সালাম দেওয়া জরুরি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘অতঃপর যখন তোমরা ঘরে প্রবেশ করবে, তখন তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে। এটা আল্লাহর কাছ থেকে কল্যাণময় ও পবিত্র দোয়া।’ (সুরা নুর: ৬১)
হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) আমাকে বলেছেন—‘হে বৎস, তুমি যখন তোমার পরিবারের কাছে প্রবেশ করবে, তখন সালাম দেবে। তাহলে তোমার এবং তোমার পরিবারের জন্য বরকত হবে।’ (জামে তিরমিজি: ২৬৯৮)
ঘরে কোনো মানুষ না থাকলেও সালাম দিয়ে প্রবেশ করা সুন্নত। তখন ঘরে অবস্থানরত ফেরেশতা ও জিনদের নিয়তে এভাবে সালাম দিতে হবে—‘আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহিন।’

মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
৪ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
আমরা আখিরাতের অনন্ত জীবনের যাত্রী। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পাবে পরকালে—যার শেষ পরিণতি হয় চিরসুখের জান্নাত, না হয় ভয়াবহ জাহান্নাম। আজকাল আমরা অঢেল ধনসম্পদ, বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি কিংবা সমাজের উঁচু পদমর্যাদাকেই ‘সফলতা’ বলে ধরে নিয়েছি।
১ দিন আগে