তানবিরুল হক আবিদ

কোরবানি ত্যাগ ও প্রেমময় এক ইবাদত। ইসলামের নিদর্শন। হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানি করতে নির্দেশ দেন আল্লাহ তাআলা। সামর্থ্যবান নারী-পুরুষের ওপর কোরবানি করা আবশ্যক। কোরবানির অন্যতম শর্ত হালাল উপার্জন থেকে কোরবানি করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহর কাছে এগুলোর (কোরবানির পশুর) মাংস ও রক্ত পৌঁছে না, তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা হজ: ৩৭)
ইসলামের এই বিশেষ ইবাদতের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ঈদের বেশ কিছু দিন আগেই দেশের বিভিন্ন স্থানে জমে পশুর হাট। হাট যাঁরা পরিচালনা করেন, তাঁরা হাটের ভাড়া হিসেবে বিক্রীত পশুপ্রতি কিছু অর্থ নির্ধারণ করেন, যাকে স্থানীয় ভাষায় ‘হাসিল’ বলা হয়। হাসিল না দিলে কোরবানি শুদ্ধ হবে না; এ ধরনের কথা সমাজে প্রচলিত আছে। তবে এ কথা সঠিক নয়।
কোরবানি হাক্কুল্লাহ তথা আল্লাহর হক। পশুর নির্ধারিত মূল্য বিক্রেতাকে পরিশোধ করার পর, এর সম্পর্ক আল্লাহর সঙ্গে হয়ে যায়। আর হাসিল হচ্ছে হাক্কুল ইবাদ তথা বান্দার হক—অর্থাৎ হাট আয়োজকদের অধিকার। কোরবানি শুদ্ধ হওয়া না হওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। তবে হাসিল পরিশোধ করা জরুরি।
কারও কারও মধ্যে এই হাসিল আদায়ের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উদাসীনতা দেখা যায়। কেউ যদি হাসিল আদায় না করে তাহলে সে গুনাহগার হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের সম্পদ গ্রাস কোরো না।’ (সুরা বাকারা: ১৮৮)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে তার ভাইয়ের ওপর জুলুম করেছে, সে যেন তার থেকে আজই ক্ষমা চেয়ে নেয়। অন্যথায় তার ভাইয়ের জন্য তার কাছ থেকে নেকি কর্তন করা হবে। কেননা সেখানে (হাশরের ময়দানে) কোনো দিনার বা দিরহাম পাওয়া যাবে না। তার কাছে যদি নেকি না থাকে, তবে তার (মজলুম) ভাইয়ের গুনাহ এনে তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬৫৩৪)

কোরবানি ত্যাগ ও প্রেমময় এক ইবাদত। ইসলামের নিদর্শন। হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানি করতে নির্দেশ দেন আল্লাহ তাআলা। সামর্থ্যবান নারী-পুরুষের ওপর কোরবানি করা আবশ্যক। কোরবানির অন্যতম শর্ত হালাল উপার্জন থেকে কোরবানি করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহর কাছে এগুলোর (কোরবানির পশুর) মাংস ও রক্ত পৌঁছে না, তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা হজ: ৩৭)
ইসলামের এই বিশেষ ইবাদতের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ঈদের বেশ কিছু দিন আগেই দেশের বিভিন্ন স্থানে জমে পশুর হাট। হাট যাঁরা পরিচালনা করেন, তাঁরা হাটের ভাড়া হিসেবে বিক্রীত পশুপ্রতি কিছু অর্থ নির্ধারণ করেন, যাকে স্থানীয় ভাষায় ‘হাসিল’ বলা হয়। হাসিল না দিলে কোরবানি শুদ্ধ হবে না; এ ধরনের কথা সমাজে প্রচলিত আছে। তবে এ কথা সঠিক নয়।
কোরবানি হাক্কুল্লাহ তথা আল্লাহর হক। পশুর নির্ধারিত মূল্য বিক্রেতাকে পরিশোধ করার পর, এর সম্পর্ক আল্লাহর সঙ্গে হয়ে যায়। আর হাসিল হচ্ছে হাক্কুল ইবাদ তথা বান্দার হক—অর্থাৎ হাট আয়োজকদের অধিকার। কোরবানি শুদ্ধ হওয়া না হওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। তবে হাসিল পরিশোধ করা জরুরি।
কারও কারও মধ্যে এই হাসিল আদায়ের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উদাসীনতা দেখা যায়। কেউ যদি হাসিল আদায় না করে তাহলে সে গুনাহগার হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের সম্পদ গ্রাস কোরো না।’ (সুরা বাকারা: ১৮৮)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে তার ভাইয়ের ওপর জুলুম করেছে, সে যেন তার থেকে আজই ক্ষমা চেয়ে নেয়। অন্যথায় তার ভাইয়ের জন্য তার কাছ থেকে নেকি কর্তন করা হবে। কেননা সেখানে (হাশরের ময়দানে) কোনো দিনার বা দিরহাম পাওয়া যাবে না। তার কাছে যদি নেকি না থাকে, তবে তার (মজলুম) ভাইয়ের গুনাহ এনে তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬৫৩৪)

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে আল্লাহর বিশেষ রহমত বর্ষিত হয়। ইসলামে জুমার দিন সপ্তাহের সেরা হিসেবে বিবেচিত। নবী করিম (সা.) বলেন, পৃথিবীতে যত দিন সূর্য উদিত হবে, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো জুমার দিন। (সহিহ্ মুসলিম: ৮৫৪)।
৬ ঘণ্টা আগে
দরুদ পাঠ অফুরন্ত বরকতের উৎস। এই ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভ হয় এবং জীবনে বরকত নেমে আসে। এতে আল্লাহর প্রিয় হাবিব হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রকাশ পায়। দরুদ পাঠের মাধ্যমে অন্তর হয় প্রশান্ত, মুখ হয় পবিত্র, আর আমলনামা হয় ভারী।
৬ ঘণ্টা আগে
শিশুরা আনন্দপ্রিয়। একটু হইহুল্লোড়, লাফালাফি করে বলেই ওরা শিশু। তাদের কাঁচা মুখের পাকা কথা আমাদের আনন্দ দেয়। আমরা তখন তাদের আদর-সোহাগ করি। বুড়ো-বুড়ি বলে খুনসুটি করি। তারা যদি বড়দের মতো গম্ভীর হয়ে বসে থাকত, তখন কি আমাদের ভালো লাগত! মোটেই না। তারা হইহুল্লোড় করে বলেই আমরা তাদের কাঁধে তুলে নিই।
১২ ঘণ্টা আগে
বেশ কিছু কারণে আমি নানা জটিলতায় পড়ে গেছি। বেশ কিছু ঋণ হয়ে গেছে। এ ছাড়া আয়-উপার্জনেও কোনো বরকত পাচ্ছি না। ঋণ থেকে মুক্তি এবং আয়-উপার্জনে বরকত পেতে কী আমল করতে পারি?
১২ ঘণ্টা আগে