মহাকাশ থেকে তোলা নাসার নভোচারী ডন পেটিটের একটি চমকপ্রদ ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নেট দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উঁচুতে মহাকাশের কক্ষপথ (অরবিট) থেকে রাতের বেলা তোলা এ ছবিতে পবিত্র মক্কা নগরীকে দেখা যাচ্ছে ঝলমলে।
নভোচারী ডন পেটিট তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে ছবিটি পোস্ট করে নিশ্চিত করেছেন, মাঝখানের এই উজ্জ্বল ছোট্ট এলাকাটিই হলো ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থান পবিত্র কাবা শরিফ, যা মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান হচ্ছে।
ছবি ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘সৌদি আরবের মক্কার কক্ষপথীয় দৃশ্য (মহাকাশ থেকে নেওয়া)। মাঝখানে যে উজ্জ্বল বিন্দুটি দেখা যাচ্ছে, সেটি হলো কাবা—ইসলামের পবিত্রতম স্থান, যা মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান।’
২ ডিসেম্বর ছবিটি পোস্ট করার পর থেকেই এর দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। ছবিতে মক্কা নগরীর বিস্তীর্ণ অঞ্চল দেখা যাচ্ছে, যেখানে পাহাড়ি উপত্যকায় অবস্থিত মক্কার কেন্দ্রে রয়েছে গ্র্যান্ড মসজিদ বা মসজিদুল হারাম। লাখ লাখ এলইডি এবং সোডিয়াম লাইটের কারণে রাতের বেলা মহাকাশ থেকে মক্কা নগরীটিকে এক ঝলমলে দৃশ্যে দেখা যায়। এ দৃশ্য দেখে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা গভীর মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

পেটিট একজন দক্ষ অ্যাস্ট্রো ফটোগ্রাফার এবং রসায়ন প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিত। মহাকাশ থেকে ছবি তোলার প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জকে শৈল্পিক রূপ দেওয়ার জন্য তাঁর জগৎজোড়া খ্যাতি রয়েছে।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৪০ মিনিট আগে
মানুষের জীবন এক অনিশ্চিত যাত্রা। কখন কোন বিপদ সামনে আসবে কিংবা কোন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য অমঙ্গল ডেকে আনবে, তা আমরা কেউ জানি না। অনেক সময় মানুষের নিজের ভুল নয়, বরং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষাস্বরূপ কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
ইসলামি সংস্কৃতিতে একে অপরের সঙ্গে দেখা হলে কুশল বিনিময়ের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো সালাম। সালাম দেওয়া সুন্নত হলেও সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব বা আবশ্যক। তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই সঠিক নিয়মে সালামের উত্তর দেওয়ার বিধান সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন।
২ দিন আগে