
সুস্থতা মহান আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত। ছোট-বড় সব মানুষই সুস্থ থাকতে চায়, কিন্তু মানবজীবনে অসুস্থতা আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। অসুস্থ হলে ইসলাম চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পাশাপাশি আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে কিছু বিশেষ আমল ও দোয়া পড়ার তাগিদ দিয়েছে।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) জ্বর ও যেকোনো ব্যথায় আমাদের এই দোয়া পড়ার শিক্ষা দিতেন।
দোয়াটি হলো:
بِسْمِ اللَّهِ الْكَبِيرِ أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ مِنْ شَرِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল কাবির, আউজুবিল্লাহিল আজিমি মিন শাররি কুল্লি ইরকিন না’আর, ওয়া মিন শাররি হাররিন নার।
অর্থ: মহান আল্লাহর নামে, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি—প্রবল প্রবহমান শিরার (রক্তচাপের) আক্রমণ থেকে এবং জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুনের অনিষ্ট থেকে। (জামে তিরমিজি: ২০৭৫)
রাসুলুল্লাহ (সা.) জ্বরের সময় দোয়া পড়ার পাশাপাশি কিছু বাস্তবসম্মত আমলও শিখিয়েছেন:
জ্বরের সঙ্গে অনেক সময় তীব্র মাথাব্যথাও থাকে। সে ক্ষেত্রে পবিত্র কোরআনের এই অংশ পাঠ করা যেতে পারে:
لَا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنزِفُونَ
উচ্চারণ: লা ইউসাদ্দাউনা আনহা ওয়া লা ইয়ুনজিফুন। (সুরা ওয়াকিয়া: ১৯)
অর্থ: যা পান করলে তাদের শিরপীড়া (মাথাব্যথা) হবে না এবং তারা বিকারগ্রস্তও হবে না।
ইসলামে অসুস্থ হলে চিকিৎসাসেবা নেওয়া সুন্নত। দোয়া ও আমলের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং যথাযথ স্বাস্থ্য সচেতনতা বজায় রাখা জরুরি।

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৫ ঘণ্টা আগে