
মানুষের জীবনে বিপদ-আপদ যেকোনো সময় আচমকা আসতে পারে। এই নশ্বর পৃথিবীতে রোগব্যাধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা মানুষের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য মুমিনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো দোয়া। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা গাফির: ৬০)
রাসুলে করিম (সা.) উম্মতকে এমন কিছু বিশেষ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা সকাল-সন্ধ্যায় পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষিত রাখেন। আজ আমরা তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় দোয়া সম্পর্কে জানব।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে উম্মতকে আত্মরক্ষার দোয়া শিখিয়েছেন। আসমান ও জমিনের যেকোনো ক্ষতি থেকে বাঁচতে নিচের দোয়াটি অত্যন্ত কার্যকর:
আরবি দোয়া:
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদ্বুররু মা আসমিহী শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়াহুয়াস সামী উল আলীম।
অর্থ: আল্লাহর নামে, যাঁর নাম (স্মরণের) সঙ্গে আসমান ও জমিনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।
হজরত উসমান বিন আফফান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি—‘যে বান্দা প্রতিদিন সকালে তিনবার এবং সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়াটি পাঠ করবে, কোনো কিছুই তার অনিষ্ট বা ক্ষতি করতে পারবে না।’ (সুনানে তিরমিজি: ৩৩৮৮)
ইমাম তিরমিজি হাদিসটিকে হাসান সহিহ্ বলেছেন। এটি নিয়মিত পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে আচমকা বিপদ থেকে রক্ষা করেন।
অন্য বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহ তাআলা এই দোয়ার বরকতে বান্দাকে কঠিন রোগব্যাধি ও শারীরিক অসুস্থতা থেকে হেফাজত করেন।
সকাল-সন্ধ্যায় এই আমলটি করলে হৃদয়ে একধরনের প্রশান্তি ও আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (নির্ভরতা) তৈরি হয়।
আমরা প্রতিনিয়ত নানা রকম দৃশ্য ও অদৃশ্য শত্রুর দ্বারা পরিবেষ্টিত। তাই নিজেকে এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখতে রাসুল (সা.)-এর শেখানো এই ছোট আমলটি আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৩ ঘণ্টা আগে
তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। তাহিয়্যা অর্থ উপহার এবং দুখুল অর্থ প্রবেশ করা। মসজিদে প্রবেশ করেই উপহার হিসেবে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা হয় বলে এর নাম তাহিয়্যাতুল মসজিদ অথবা দুখুলুল মসজিদ।
১ দিন আগে