
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী বছরের এপ্রিলে বেইজিং সফরের জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন তিনি। পাশাপাশি চীনা প্রেসিডেন্টও সেই বছরের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন।
দুই নেতার মধ্যে টেলিফোনে আলাপের পর এই ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে এই ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সম্পর্ক ‘বেশ মজবুত’।
এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশনের (অ্যাপেক) শীর্ষ সম্মেলনের আগে গত ৩০ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে দুই নেতার সরাসরি বৈঠকের পর তাঁদের মধ্যে ফোনালাপ হয় বলে জানিয়েছে দ্য কোরিয়া হেরাল্ড।
এই ফোনালাপকে ‘খুবই ভালো’ উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, তিনি ও সি ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, ফেন্টানিল সংকট, সয়াবিনসহ কৃষিপণ্য নিয়ে আলোচনা করেছেন।
ট্রাম্পের দাবি, দুই পক্ষই মার্কিন কৃষকদের জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ’ এক চুক্তিতে পৌঁছেছে।
তিনি ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘এই ফোনালাপ তিন সপ্তাহ আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় আমাদের অত্যন্ত সফল বৈঠকের ফলোআপ ছিল। তার পর থেকে আমাদের চুক্তিগুলোকে সময়োপযোগী এবং নির্ভুল রাখার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এবার আমরা বৃহত্তর লক্ষ্যের দিকে নজর দিতে পারি।’
‘এই উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট সি আগামী বছরের এপ্রিলে আমাকে বেইজিং সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, যা আমি গ্রহণ করেছি। আমিও তাঁকে পাল্টা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তিনি ওই বছরের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে আমার আতিথেয়তায় রাষ্ট্রীয় সফরে আসবেন,’ যোগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৭ ঘণ্টা আগে