
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হবে আগামী ২০ জানুয়ারি। তাঁর নতুন মেয়াদে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কঠিন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদে সাজিদ তারার। তিনি ‘মুসলিমস ফর ট্রাম্প’ নামে একটি সংগঠনের প্রধান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাজিদ এসব কথা বলেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক ও প্রভাবশালী পাকিস্তানি-আমেরিকান ব্যবসায়ী সাজিদ তারার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক অভাবনীয় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলোর দিকেও বিশেষ নজর রাখবেন।
সাজিদ তারার জানান, দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে ট্রাম্প সচেতন। এর মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সরাসরি হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে ইউনূস বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই ট্রাম্প সমর্থক আরও বলেন, ‘আসলে এখানে একটি ইতিহাস আছে যে, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াই করছিলেন, তখন তিনি (ড. ইউনূস) হিলারি ক্লিনটনকে সমর্থন করেছিলেন।’ এর আগে, গত ৫ নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনের কয়েক দিন আগে ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ। অভিযোগ রয়েছে, তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর এবং মন্দির ধ্বংসের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণের প্রতিবাদ চলাকালে এবং পরে এ ঘটনা আরও বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে সাজিদ তারার বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) বাংলাদেশের দিকে ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখবেন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ পর্যবেক্ষণ করবেন। আমার মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশকে কঠোর বার্তা দেবেন।’
তারারের মতে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় ফিরে আসা যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব উভয়ের জন্যই ইতিবাচক। তিনি বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো শপথ নেননি, কিন্তু (বিশ্ব এরই মধ্যে) প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছে। ভারত ছাড়া পুরো বিশ্ব এখন অস্বস্তিতে আছে। বিশ্ব এখন একজন নেতা পেয়েছে। আগামী চার বছরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বারাক ওবামার ১২ বছরের নীতির সম্প্রসারণ দূর করবেন।’

আজ হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই ইরানের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাখতে দেওয়া যাবে না। ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত আমরা কেড়ে নেব এবং ধ্বংস করব।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)-এর নেতা ওজগুর ওজেলকে অপসারণের রায় দিয়েছেন তুরস্কের একটি আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দেওয়া এই রায়ে ২০২৩ সালের দলীয় কংগ্রেস বাতিল ঘোষণা করা হয়। ওই কংগ্রেসেই ওজেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশনার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া অন্যতম প্রধান শর্তটি বড় ধরনের ধাক্কা খেল, যা যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের নবগঠিত পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। ওই মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশের ২২ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি (৮,৮০০ বর্গমাইল) সামুদ্রিক এলাকাকে ‘ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর ওভারসাইট’ বা সামরিক নজরদারির আওতাভুক্ত এলাকা হিসেবে দাবি করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে