
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে লড়তে পারবেন না। কলোরাডো সুপ্রিম কোর্ট স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার এক ঐতিহাসিক রায়ে এই নির্দেশ দিয়েছে। রায় অনুসারে, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ট্রাম্প। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের ৭ জন বিচারকের একটি বেঞ্চ ৪-৩ ভোটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। এ সময় তাঁরা মার্কিন সংবিধানের ‘বিদ্রোহ’ সংক্রান্ত ধারাগুলোর আশ্রয় নেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দেশটির সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ধারা-৩ প্রয়োগ করে তাঁকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য অনুপযোগী বলে ঘোষণা করা হলো।
এর আগেও, ট্রাম্পকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার আরজি জানিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের আদালতে আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু সেসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। আগামী এক মাস পর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই রায় কার্যকর হবে। এই সময়টুকু দেওয়া হয়েছে মূলত ট্রাম্পকে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ দেওয়ার জন্য। কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের এই রায় অন্য অঙ্গরাজ্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
আদালতের রায়ে বল হয়, ‘আমরা হালকাভাবে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। আমরা আমাদের সামনে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর মাত্রা ও ওজন সম্পর্কে সচেতন।’ রায়ে আরও বলা হয়, ‘আমরা একইভাবে আইন প্রয়োগের বিষয়ে আমাদের গৌরবপূর্ণ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। কোনো ধরনের ভয় বা অনুগ্রহ ছাড়াই আইন অনুসারে আমরা যেসব সিদ্ধান্ত নেই তার প্রতি জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত আমরা প্রভাবিত নই।’
এই রায়ে কলোরাডোর একটি জজ আদালতের রায়ের বিপরীত। নিম্ন আদালত সে সময় তাঁর রায়ে বলেছিল—মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ধারা-৩ কোনো প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ, সেই ধারায় কারা অপরাধী বলে গণ্য হবেন তাদের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তবে সেই আদালত, এই বিষয়ে প্রমাণ পেয়েছিল যে—২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল দাঙ্গায় ট্রাম্প জড়িত ছিলেন।
কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর এক বিবৃতিতে ট্রাম্পে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার মুখপাত্র স্টিভেন শেউং এই রায়কে ‘সম্পূর্ণ ত্রুটিপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বিচারকদের সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, যেসব বিচারক এই রায়ের সঙ্গে যুক্ত তাঁরা সবাই যারা সবাই ডেমোক্রেটিক গভর্নরদের আমলে নিযুক্ত।
শেউং বলেন, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রভাবশালী নেতৃত্বের বিপরীতে ক্রমবর্ধমান হারে ভোটারেরা তাঁকে সমর্থন জানানোয় ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতারা বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন। তারা নিজেরাই বাইডেনের ব্যর্থ শাসনামলের প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছে এবং এখন আমেরিকান ভোটারেরা যাতে আগামী নভেম্বরে তাঁকে (বাইডেন) অফিস থেকে বের করে না দেয় তা ঠেকাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।’
এ সময় শেউং জানান, ট্রাম্পের আইনজীবীরা দ্রুতই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে লড়তে পারবেন না। কলোরাডো সুপ্রিম কোর্ট স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার এক ঐতিহাসিক রায়ে এই নির্দেশ দিয়েছে। রায় অনুসারে, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ট্রাম্প। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের ৭ জন বিচারকের একটি বেঞ্চ ৪-৩ ভোটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। এ সময় তাঁরা মার্কিন সংবিধানের ‘বিদ্রোহ’ সংক্রান্ত ধারাগুলোর আশ্রয় নেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দেশটির সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ধারা-৩ প্রয়োগ করে তাঁকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য অনুপযোগী বলে ঘোষণা করা হলো।
এর আগেও, ট্রাম্পকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার আরজি জানিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের আদালতে আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু সেসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। আগামী এক মাস পর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই রায় কার্যকর হবে। এই সময়টুকু দেওয়া হয়েছে মূলত ট্রাম্পকে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ দেওয়ার জন্য। কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের এই রায় অন্য অঙ্গরাজ্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
আদালতের রায়ে বল হয়, ‘আমরা হালকাভাবে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। আমরা আমাদের সামনে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর মাত্রা ও ওজন সম্পর্কে সচেতন।’ রায়ে আরও বলা হয়, ‘আমরা একইভাবে আইন প্রয়োগের বিষয়ে আমাদের গৌরবপূর্ণ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। কোনো ধরনের ভয় বা অনুগ্রহ ছাড়াই আইন অনুসারে আমরা যেসব সিদ্ধান্ত নেই তার প্রতি জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত আমরা প্রভাবিত নই।’
এই রায়ে কলোরাডোর একটি জজ আদালতের রায়ের বিপরীত। নিম্ন আদালত সে সময় তাঁর রায়ে বলেছিল—মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ধারা-৩ কোনো প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ, সেই ধারায় কারা অপরাধী বলে গণ্য হবেন তাদের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তবে সেই আদালত, এই বিষয়ে প্রমাণ পেয়েছিল যে—২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল দাঙ্গায় ট্রাম্প জড়িত ছিলেন।
কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর এক বিবৃতিতে ট্রাম্পে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার মুখপাত্র স্টিভেন শেউং এই রায়কে ‘সম্পূর্ণ ত্রুটিপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বিচারকদের সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, যেসব বিচারক এই রায়ের সঙ্গে যুক্ত তাঁরা সবাই যারা সবাই ডেমোক্রেটিক গভর্নরদের আমলে নিযুক্ত।
শেউং বলেন, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রভাবশালী নেতৃত্বের বিপরীতে ক্রমবর্ধমান হারে ভোটারেরা তাঁকে সমর্থন জানানোয় ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতারা বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন। তারা নিজেরাই বাইডেনের ব্যর্থ শাসনামলের প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছে এবং এখন আমেরিকান ভোটারেরা যাতে আগামী নভেম্বরে তাঁকে (বাইডেন) অফিস থেকে বের করে না দেয় তা ঠেকাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।’
এ সময় শেউং জানান, ট্রাম্পের আইনজীবীরা দ্রুতই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩২ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে