
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা কোম্পানি বোয়িং থেকে ২০০টি বিমান কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বর্তমানে তিনি চীন সফরে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) চীন থেকেই ফক্স নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দেন ট্রাম্প। সঞ্চালক শন হ্যানিটির সঙ্গে ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আজ তিনি (সি চিনপিং) যেটিতে রাজি হয়েছেন, তা হলো ২০০টি বিমান অর্ডার করা।’
তিনি আরও বলেন, ‘বোয়িং—২০০টি বড় আকারের বিমান। এটা অনেক বড় সংখ্যক অর্ডার, যার মানে অনেক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’
ট্রাম্প জানান, বোয়িং শুরুতে তুলনামূলকভাবে ছোট একটি অর্ডারের আশা করেছিল। তিনি বলেন, ‘বোয়িং ১৫০টি দিতে চেয়েছিল, তিনি (সি) ২০০টি পাচ্ছেন।’
ট্রাম্পের মতে, সি চিনপিংয়ের এই বক্তব্যকে তিনি একটি বাস্তব ক্রয়-প্রতিশ্রুতি হিসেবেই দেখছেন।
এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক এবং বিমান শিল্পে সম্ভাব্য বড় ধরনের অর্ডার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন ট্রাম্প। পরে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।
এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে চীনে গেছেন কয়েকজন শীর্ষ মার্কিন করপোরেট নির্বাহী। চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যেই তাঁদের অংশগ্রহণ। সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে প্রণালিটি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের মোট পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে নিরাপত্তা মাশুল বা ফি আদায়ের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্যে একটি হালকা উড়োজাহাজের পরীক্ষামূলক উড়ানের সময় এক পাইলট নিজের ‘একঘেয়েমি’ প্রকাশের অভিনব উপায় বেছে নিয়েছেন। প্রায় দুই ঘণ্টার ওই ফ্লাইটে তিনি এমনভাবে উড়োজাহাজ পরিচালনা করেছেন যে, অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকিং অ্যাপে তাঁর উড্ডয়নপথে ভেসে ওঠে “I’M BORED” বা (আমি বিরক্ত) কথাটি।
৯ ঘণ্টা আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মাধ্যমিক পর্যায়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধরনের চমক দিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম।
৯ ঘণ্টা আগে
ডুমসডে প্লেন বা কেয়ামতের বিমান নামে পরিচিত এই অত্যাধুনিক ও সুরক্ষিত বিমানটি মূলত পারমাণবিক যুদ্ধ বা জাতীয় বিপর্যয়ের সময় আকাশ থেকে সরকার পরিচালনার একটি ‘ভ্রাম্যমাণ কমান্ড সেন্টার’ হিসেবে কাজ করে। তবে হঠাৎ এই বিমানের তেহরান আগমন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ও ভূ-রাজনৈতিক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে...
৯ ঘণ্টা আগে