আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা পুরোনো সুসম্পর্ক আর নেই। অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে যে সম্পর্ক ছিল তা এখন অতীত। গতকাল বৃহস্পতিবার অটোয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
বিবিসির প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী কার্নির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত শুল্কের মুখে কানাডাকে নিজের অর্থনীতিকে মৌলিকভাবে পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্কারোপের হুঁশিয়ারিও দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে অটোয়া, যা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সর্বোচ্চ প্রভাব ফেলবে।
এর আগে, গত বুধবার (২৬ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা গাড়ি এবং যানবাহনের যন্ত্রাংশের ওপর ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প এবং বলেন, ‘এটি স্থায়ী সিদ্ধান্ত’। যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি রপ্তানিকারক শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—মেক্সিকো, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও জার্মানির মতো ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ অংশীদার ও মিত্র।
তাই ট্রাম্পের এই ঘোষণায় স্বভাবতই ক্ষুব্ধ দেশগুলো। ঘোষণার পর সেদিনই প্রতিক্রিয়া জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এই পদক্ষেপকে কানাডার শ্রমিকদের ওপর ‘সরাসরি আঘাত’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনেও এই ইস্যু উঠে আসে। ১৯৬৫ সালে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যানবাহনের যন্ত্রাংশ নিয়ে একটি চুক্তি হয়, যেটিকে তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বলে উল্লেখ করে কার্নি বলেন, ‘ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে এটা শেষ!’
তবে, মার্কিন শুল্ক সত্ত্বেও কানাডা একটি টেকসই গাড়ি শিল্প ধরে রাখতে পারবে বলে আশাবাদী এই নেতা। তিনি বলেন, সরকার ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায় যদি একসঙ্গে কাজ করে তাহলে এই শিল্পের পুনর্গঠন অসম্ভব নয়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, কানাডাকে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে, যা কানাডীয়রাই নিয়ন্ত্রণ করবে। এর জন্য অন্য অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় থাকবে কি না, তা এখন অনিশ্চিত।
আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। ভোটের লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ট্রাম্পের এই শুল্ক। শুল্ক মোকাবিলায় কোন দল কেমন পদক্ষেপ নিতে চাইছে এবং তা কতটা বাস্তবসম্মত—এসব কাজ করছে ভোটার টানার প্রভাবক হিসেবে।
সব দলই এখন তাদের প্রচারাভিযানে এ ইস্যুতেই জোর দিচ্ছে।
যানবাহন ও যানবাহনের যন্ত্রাংশ আমদানিতে আগামী ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক। ইতিমধ্যে অ্যালুমিনিয়াম, ইস্পাতসহ কিছু কানাডীয় পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রায় ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে কানাডা।

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা পুরোনো সুসম্পর্ক আর নেই। অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে যে সম্পর্ক ছিল তা এখন অতীত। গতকাল বৃহস্পতিবার অটোয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
বিবিসির প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী কার্নির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত শুল্কের মুখে কানাডাকে নিজের অর্থনীতিকে মৌলিকভাবে পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্কারোপের হুঁশিয়ারিও দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে অটোয়া, যা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সর্বোচ্চ প্রভাব ফেলবে।
এর আগে, গত বুধবার (২৬ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা গাড়ি এবং যানবাহনের যন্ত্রাংশের ওপর ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প এবং বলেন, ‘এটি স্থায়ী সিদ্ধান্ত’। যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি রপ্তানিকারক শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—মেক্সিকো, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও জার্মানির মতো ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ অংশীদার ও মিত্র।
তাই ট্রাম্পের এই ঘোষণায় স্বভাবতই ক্ষুব্ধ দেশগুলো। ঘোষণার পর সেদিনই প্রতিক্রিয়া জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এই পদক্ষেপকে কানাডার শ্রমিকদের ওপর ‘সরাসরি আঘাত’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনেও এই ইস্যু উঠে আসে। ১৯৬৫ সালে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যানবাহনের যন্ত্রাংশ নিয়ে একটি চুক্তি হয়, যেটিকে তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বলে উল্লেখ করে কার্নি বলেন, ‘ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে এটা শেষ!’
তবে, মার্কিন শুল্ক সত্ত্বেও কানাডা একটি টেকসই গাড়ি শিল্প ধরে রাখতে পারবে বলে আশাবাদী এই নেতা। তিনি বলেন, সরকার ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায় যদি একসঙ্গে কাজ করে তাহলে এই শিল্পের পুনর্গঠন অসম্ভব নয়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, কানাডাকে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে, যা কানাডীয়রাই নিয়ন্ত্রণ করবে। এর জন্য অন্য অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় থাকবে কি না, তা এখন অনিশ্চিত।
আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। ভোটের লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ট্রাম্পের এই শুল্ক। শুল্ক মোকাবিলায় কোন দল কেমন পদক্ষেপ নিতে চাইছে এবং তা কতটা বাস্তবসম্মত—এসব কাজ করছে ভোটার টানার প্রভাবক হিসেবে।
সব দলই এখন তাদের প্রচারাভিযানে এ ইস্যুতেই জোর দিচ্ছে।
যানবাহন ও যানবাহনের যন্ত্রাংশ আমদানিতে আগামী ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক। ইতিমধ্যে অ্যালুমিনিয়াম, ইস্পাতসহ কিছু কানাডীয় পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রায় ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে কানাডা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
৪৩ মিনিট আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
১ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১১ ঘণ্টা আগে