
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর (৯ / ১১) আল-কায়েদার এ হামলায় নিহতদের স্মরণে আজ তাঁদের স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হন স্বজনেরা। বিধ্বস্ত টুইন টাওয়ারের স্থান গ্রাউন্ড জিরোতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। অনেকেই পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বামী হারানো লিসা রেইনের কাছে এই ২০ বছরকে কখনো অনন্তকাল মনে হয়, আবার কখনো মনে হয় এইতো গতকালের ঘটনা। এমন বহু পরিবারের সদস্য ছাড়াও দেশটির বর্তমান ও সাবেক বহু নেতাও এ ঘটনায় নিহতদের স্মরণ করেছেন।
এ দিবস উপলক্ষে স্মরণ অনুষ্ঠানে ছিনতাইকৃত প্রতিটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঠিক সময়ে এক মিনিট করে নীরবতা পালন করা হয়। এ উপলক্ষে পেনসিলভানিয়া একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মাঠে বক্তৃতা দিয়েছেন হামলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। বক্তব্যে বুশ বলেন, 'হত্যাকাণ্ড আর সাইরেনে পৃথিবী কেপে উঠেছিল, এরপর হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠস্বর আর কখনো শোনা যাবে না। আমাদের অনুভূতির মিশ্রণ বর্ণনা করা কঠিন।'
শনিবার সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে নিউইয়র্কে আনুষ্ঠানিক স্মৃতিসৌধে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথম বিমানটি ২০০১ সালের ঠিক এই সময়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর টাওয়ারে আঘাত হানে। এর পর থেকে পুরো সকাল, গ্রাউন্ড জিরো স্মৃতিসৌধে খোদাই করা ২ হাজার ৯৭৭ জনের নামের পাশে গোলাপ রেখে শ্রদ্ধা জানানো অব্যাহত ছিল।
পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় আরও পাঁচবার নীরবতা পালন করা হয়। এ সময়গুলো হচ্ছে-দ্বিতীয় বিমানটি যখন দক্ষিণ টাওয়ারে বিধ্বস্ত হয়, যখন ওয়াশিংটন ডিসির ঠিক বাইরে পেন্টাগনে তৃতীয় জেট আঘাত হানে, যখন চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়া বিধ্বস্ত হয় এবং অবশেষে যখন প্রতিটি টাওয়ার ভেঙে পড়ে।
রাত পর্যন্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো অব্যাহত থাকার কথা রয়েছে। রাতে টুইন টাওয়ার দাঁড়িয়ে থাকার স্থানে আলোর দুটি রশ্মি আকাশের ছয় দশমিক ৪ মাইল ওপরে জ্বলে ওঠে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর (৯ / ১১) আল-কায়েদার এ হামলায় নিহতদের স্মরণে আজ তাঁদের স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হন স্বজনেরা। বিধ্বস্ত টুইন টাওয়ারের স্থান গ্রাউন্ড জিরোতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। অনেকেই পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বামী হারানো লিসা রেইনের কাছে এই ২০ বছরকে কখনো অনন্তকাল মনে হয়, আবার কখনো মনে হয় এইতো গতকালের ঘটনা। এমন বহু পরিবারের সদস্য ছাড়াও দেশটির বর্তমান ও সাবেক বহু নেতাও এ ঘটনায় নিহতদের স্মরণ করেছেন।
এ দিবস উপলক্ষে স্মরণ অনুষ্ঠানে ছিনতাইকৃত প্রতিটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঠিক সময়ে এক মিনিট করে নীরবতা পালন করা হয়। এ উপলক্ষে পেনসিলভানিয়া একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মাঠে বক্তৃতা দিয়েছেন হামলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। বক্তব্যে বুশ বলেন, 'হত্যাকাণ্ড আর সাইরেনে পৃথিবী কেপে উঠেছিল, এরপর হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠস্বর আর কখনো শোনা যাবে না। আমাদের অনুভূতির মিশ্রণ বর্ণনা করা কঠিন।'
শনিবার সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে নিউইয়র্কে আনুষ্ঠানিক স্মৃতিসৌধে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথম বিমানটি ২০০১ সালের ঠিক এই সময়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর টাওয়ারে আঘাত হানে। এর পর থেকে পুরো সকাল, গ্রাউন্ড জিরো স্মৃতিসৌধে খোদাই করা ২ হাজার ৯৭৭ জনের নামের পাশে গোলাপ রেখে শ্রদ্ধা জানানো অব্যাহত ছিল।
পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় আরও পাঁচবার নীরবতা পালন করা হয়। এ সময়গুলো হচ্ছে-দ্বিতীয় বিমানটি যখন দক্ষিণ টাওয়ারে বিধ্বস্ত হয়, যখন ওয়াশিংটন ডিসির ঠিক বাইরে পেন্টাগনে তৃতীয় জেট আঘাত হানে, যখন চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়া বিধ্বস্ত হয় এবং অবশেষে যখন প্রতিটি টাওয়ার ভেঙে পড়ে।
রাত পর্যন্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো অব্যাহত থাকার কথা রয়েছে। রাতে টুইন টাওয়ার দাঁড়িয়ে থাকার স্থানে আলোর দুটি রশ্মি আকাশের ছয় দশমিক ৪ মাইল ওপরে জ্বলে ওঠে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে