
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপদ যেন কাটছেই না। এবার আরও একটি অঙ্গরাজ্যে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে তাঁকে। এর আগে তাঁকে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মেইনে অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত নেয়। মেইনের সেক্রেটারি অব স্টেট শিনা বেলোস এই সিদ্ধান্ত জানান। তিনি বলেছেন, জনগণের আবেদনের ভিত্তিতেই মেইনের নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত ২০২১ সালে ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলের হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের বিরোধী পক্ষ ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত সেক্রেটারি অব স্টেট শিনা বেলোস বলেছেন, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে থাকা রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে জালিয়াতির মিথ্যা দাবি ছড়িয়ে দিয়ে একটি বিদ্রোহে উসকানি দিয়েছিলেন এবং সমর্থকদের ক্যাপিটল হিলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।’
বেলোস তাঁর রায়ে লিখেছেন, ‘মার্কিন সংবিধান আমাদের সরকারব্যবস্থার মূল ভিত্তির ওপর আক্রমণ সহ্য করে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেনতেনভাবে এই সিদ্ধান্ত নিইনি। আমি মনে করি, আমাদের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর তৃতীয় ধারার ওপর ভিত্তি করে কোনো সেক্রেটারি অব স্টেট (অঙ্গরাজ্যের) কখনো সাবেক কোনো প্রেসিডেন্টকে নির্বাচনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেনি। কিন্তু আমি এটাও মনে করি, এর আগেও কোনো প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বিদ্রোহে লিপ্ত হননি।’
যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুসারে অঙ্গরাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আপিল করা যাবে। আদালত বেলোসের দেওয়া এই রায় স্থগিত না করলে এই অঙ্গরাজ্যে প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটি জানিয়েছে, তাঁরা এই ‘নৃশংস’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আপিল করবে।
এর আগে, ১৯ ডিসেম্বর কলোরাডো সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে নির্দেশ দেন যে, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সেবারই প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দেশটির সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ধারা-৩ প্রয়োগ করে তাঁকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য অনুপযোগী বলে ঘোষণা করা হয়।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপদ যেন কাটছেই না। এবার আরও একটি অঙ্গরাজ্যে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে তাঁকে। এর আগে তাঁকে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মেইনে অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত নেয়। মেইনের সেক্রেটারি অব স্টেট শিনা বেলোস এই সিদ্ধান্ত জানান। তিনি বলেছেন, জনগণের আবেদনের ভিত্তিতেই মেইনের নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত ২০২১ সালে ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলের হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের বিরোধী পক্ষ ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত সেক্রেটারি অব স্টেট শিনা বেলোস বলেছেন, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে থাকা রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে জালিয়াতির মিথ্যা দাবি ছড়িয়ে দিয়ে একটি বিদ্রোহে উসকানি দিয়েছিলেন এবং সমর্থকদের ক্যাপিটল হিলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।’
বেলোস তাঁর রায়ে লিখেছেন, ‘মার্কিন সংবিধান আমাদের সরকারব্যবস্থার মূল ভিত্তির ওপর আক্রমণ সহ্য করে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেনতেনভাবে এই সিদ্ধান্ত নিইনি। আমি মনে করি, আমাদের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর তৃতীয় ধারার ওপর ভিত্তি করে কোনো সেক্রেটারি অব স্টেট (অঙ্গরাজ্যের) কখনো সাবেক কোনো প্রেসিডেন্টকে নির্বাচনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেনি। কিন্তু আমি এটাও মনে করি, এর আগেও কোনো প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বিদ্রোহে লিপ্ত হননি।’
যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুসারে অঙ্গরাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আপিল করা যাবে। আদালত বেলোসের দেওয়া এই রায় স্থগিত না করলে এই অঙ্গরাজ্যে প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটি জানিয়েছে, তাঁরা এই ‘নৃশংস’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আপিল করবে।
এর আগে, ১৯ ডিসেম্বর কলোরাডো সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে নির্দেশ দেন যে, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সেবারই প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দেশটির সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ধারা-৩ প্রয়োগ করে তাঁকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য অনুপযোগী বলে ঘোষণা করা হয়।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৭ ঘণ্টা আগে