আলোচিত ও বিতর্কিত লেখক এবং ঔপন্যাসিক সালমান রুশদি বলেছেন, এখনই একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের অর্থ হবে তালেবানের মতো একটি রাষ্ট্র তৈরি করা। জার্মানিতে অনুষ্ঠিত একটি সাহিত্য উৎসবে যোগ দিয়ে রুশদি এমন মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির সাহিত্য উৎসবে নিজের নতুন বই ‘নাইফ’-এর প্রচারণায় গিয়েছিলেন সালমান রুশদি। এই বইয়ে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ওপর হওয়া ছুরি হামলার বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
জার্মান টেলিভিশন প্রোগ্রাম আরবিবি-টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরায়েল-বিরোধী ছাত্র বিক্ষোভেরও সমালোচনা করেন রুশদি। তিনি বলেন, ‘এটা অদ্ভুত যে, প্রগতিশীল যুবকেরা হামাসকে সমর্থন করবে।’ হামাসকে একটি ‘ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবেও আখ্যা দেন ঔপন্যাসিক।
রুশদি দাবি করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন করেছেন। তবে সতর্কও করেছেন—এটি আফগানিস্তানের মতো স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমা বামপন্থী প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো কি এটাই তৈরি করতে চায়?’
গাজার দুর্ভোগ অনুধাবন করতে পারছেন দাবি করে রুশদি বলেন, ‘আমি চাই কিছু প্রতিবাদকারী হামাসের ভূমিকা উল্লেখ করুক। এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। এটা বেশ অদ্ভুত যে, রাজনৈতিক প্রগতিশীলেরা ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সমর্থন করে।’
৭৬ বছর বয়সী ঔপন্যাসিক মত দেন, ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর জন্য সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া হিসাবে ছাত্রবিক্ষোভগুলো শুরু হয়েছে। কিন্তু এটি যদি ইহুদি বিদ্বেষের দিকে চলে যায় এবং হামাসকে সমর্থন করে, তবে বিষয়টি সমস্যাযুক্ত হয়ে পড়ে। রুশদি বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের উচিত অন্তত হামাসকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা।’
ভারতে জন্মগ্রহণকারী এই লেখক যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিক। ১৯৮৮ সালে ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ নামে একটি বিতর্কিত বই লেখার দায়ে একাধিকবার মৃত্যুর হুমকি পেয়েছিলেন তিনি। ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা তাঁর মাথার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। পরে আত্মরক্ষার জন্য রুশদিকে অনেক দিন আত্মগোপনে থাকতে হয়। ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে তিনি তাঁর পলাতক জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেন।
সর্বশেষ ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত চৌতাকুয়া ইনস্টিটিউশনের একটি মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় হাদি মাতার নামে এক ব্যক্তি তাঁকে অন্তত ১০ বার ছুরিকাঘাত করেন। এ ঘটনায় সৌভাগ্যক্রমে রুশদির প্রাণ বেঁচে গেলেও নষ্ট হয়ে যায় একটি চোখ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকিকে ঘিরে ইরানে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন—যদি ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানো হবে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের তেল নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি এখন আমাদের দখলের অপেক্ষায় আছে, এটি নিয়ে তাদের (ইরান) কিছুই করার নেই। দুর্ভাগ্যবশত, আমেরিকান জনগণ চায়, আমরা বাড়ি ফিরে যাই। যদি এটি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি ইরানের তেল নিতাম।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের দেওয়া এই ১০ দফা-সংবলিত প্রতিক্রিয়ায় যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। আইআরএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দফার উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো—
২ ঘণ্টা আগে
ঘটনার সূত্রপাত ২০২০ সালের ১৯ জুন। থুথুকুডি জেলায় মোবাইল ফোনের দোকানদার পি জয়রাজ এবং তাঁর ছেলে জে বেনিক্সকে লকডাউনে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় দোকান খোলা রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে