
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দেশটির একাধিক বড় বিমান পরিবহন সংস্থা। মূলত, পরিবহন ফি বাস্তবায়ন করার আগেই তা সরকারকে জানাতে হবে—এমন নতুন আইনের বিরোধিতা করে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকান এয়ারলাইনস, ডেলটা এয়ারলাইনস, ইউনাইটেড এয়ারলাইনস, জেটব্লু এয়ারলাইনস, হাওয়াইয়ান এয়ারলাইনস এবং আলাস্কা এয়ারলাইনসসহ বেশ কয়েকটি বিমান পরিবহন সংস্থা এই মামলা দায়ের করেছে। গত শুক্রবার ইউএস ফিফথ সার্কিট আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়।
মার্কিন পরিবহন মন্ত্রণালয় গত মাসে একটি নতুন আইন জারি করে। এই আইন অনুসারে, বিমান পরিবহন সংস্থা ও টিকিটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগেই সব ধরনের তথ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। যাতে ভোক্তারা ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অযাচিত ভোগান্তিতে না পড়েন এবং তাদের গোপন কোনো চার্জ বা মাশুল না গুনতে হয়।
এক বিবৃতিতে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো গতকাল সোমবার জানিয়েছে, পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এই নতুন আইন ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করবে এবং এটি মূলত বেসরকারি খাতের গতিশীল ব্যবসায়কে নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রচেষ্টা যা তার (পরিবহন মন্ত্রণালয়ের) আওতার বাইরে। তাঁরা এই আইনটিকে স্বেচ্ছাচারী, হাস্যকর, বিচক্ষণতার অপব্যবহার ও আইনের পরিপন্থী বলে আখ্যা দিয়েছে।
মামলার বিষয়টি সামনে আসার পর মার্কিন পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাঁরা নতুন এই আইনকে জোরালোভাবে রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। কারণ এই আইন, গোপন ফি বা চার্জ থেকে যাত্রীদের রক্ষা করবে এবং যাত্রীরা টিকিট কেনার আগে ফ্লাইটের সম্পূর্ণ মূল্য দেখতে পাবে—তা নিশ্চিত করবে। এর আগে, মার্কিন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল—এই আইনের ফলে ভোক্তাদের বিমান পরিবহনে কম ভাড়া দিতে হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি জানিয়েছে, বিমান পরিবহন খাতে যাত্রীরা প্রতিবছর ৫৪ কোটি ৩০ লাখ বাড়তি ফি পরিশোধ করে এবং ব্যাগেজ ফির নামে মার্কিন বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো ২০২২ সালে ৬৮০ কোটি ডলার ফি আদায় করেছে। ২০২৩ সালের প্রথম ৯ মাসে তারা ব্যাগেজ ফি বাবদ ৫৫০ কোটি ডলার আয় করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দেশটির একাধিক বড় বিমান পরিবহন সংস্থা। মূলত, পরিবহন ফি বাস্তবায়ন করার আগেই তা সরকারকে জানাতে হবে—এমন নতুন আইনের বিরোধিতা করে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকান এয়ারলাইনস, ডেলটা এয়ারলাইনস, ইউনাইটেড এয়ারলাইনস, জেটব্লু এয়ারলাইনস, হাওয়াইয়ান এয়ারলাইনস এবং আলাস্কা এয়ারলাইনসসহ বেশ কয়েকটি বিমান পরিবহন সংস্থা এই মামলা দায়ের করেছে। গত শুক্রবার ইউএস ফিফথ সার্কিট আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়।
মার্কিন পরিবহন মন্ত্রণালয় গত মাসে একটি নতুন আইন জারি করে। এই আইন অনুসারে, বিমান পরিবহন সংস্থা ও টিকিটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগেই সব ধরনের তথ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। যাতে ভোক্তারা ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অযাচিত ভোগান্তিতে না পড়েন এবং তাদের গোপন কোনো চার্জ বা মাশুল না গুনতে হয়।
এক বিবৃতিতে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো গতকাল সোমবার জানিয়েছে, পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এই নতুন আইন ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করবে এবং এটি মূলত বেসরকারি খাতের গতিশীল ব্যবসায়কে নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রচেষ্টা যা তার (পরিবহন মন্ত্রণালয়ের) আওতার বাইরে। তাঁরা এই আইনটিকে স্বেচ্ছাচারী, হাস্যকর, বিচক্ষণতার অপব্যবহার ও আইনের পরিপন্থী বলে আখ্যা দিয়েছে।
মামলার বিষয়টি সামনে আসার পর মার্কিন পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাঁরা নতুন এই আইনকে জোরালোভাবে রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। কারণ এই আইন, গোপন ফি বা চার্জ থেকে যাত্রীদের রক্ষা করবে এবং যাত্রীরা টিকিট কেনার আগে ফ্লাইটের সম্পূর্ণ মূল্য দেখতে পাবে—তা নিশ্চিত করবে। এর আগে, মার্কিন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল—এই আইনের ফলে ভোক্তাদের বিমান পরিবহনে কম ভাড়া দিতে হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি জানিয়েছে, বিমান পরিবহন খাতে যাত্রীরা প্রতিবছর ৫৪ কোটি ৩০ লাখ বাড়তি ফি পরিশোধ করে এবং ব্যাগেজ ফির নামে মার্কিন বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো ২০২২ সালে ৬৮০ কোটি ডলার ফি আদায় করেছে। ২০২৩ সালের প্রথম ৯ মাসে তারা ব্যাগেজ ফি বাবদ ৫৫০ কোটি ডলার আয় করেছে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে