যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইসের আঞ্চলিক কোড নম্বর হলো ৩১৪। আর এই নম্বরটিকে স্মরণীয় করে রেখে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে এক অভিনব পন্থার আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। অভিনব এই পদ্ধতিটি হলো, স্থানীয় বাসিন্দারা একদিন মাথায় আন্ডারওয়্যার বা অন্তর্বাস পরে সমবেত হবেন একটি জায়গায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেন্ট লুইস শহরের সিটি মিউজিয়ামের কর্তৃপক্ষ চান, তাদের শহরে আগামী ১৪ মার্চ অন্তত ৩১৪ জন নাগরিক অন্তর্বাস পরে সমবেত হন। এর মধ্য দিয়ে যেমন তাদের সিটি কোড স্মরণীয় হয়ে থাকবে, একই সঙ্গে একটি বিশ্ব রেকর্ডও গড়া হবে।
মাথায় অন্তর্বাস পরে বর্তমান বিশ্ব রেকর্ডটি ২৭০ জনের। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রেরই আরেক অঙ্গরাজ্য ইলিনয়ের একটি বইয়ের দোকানে ‘ক্যাপ্টেন আন্ডারপ্যান্ট’ নামের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে মাথায় অন্তর্বাস পরে সমবেত হয়েছিলেন ওই ২৭০ জন।
নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী সিটি মিউজিয়ামের কর্তৃপক্ষ। এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমাদের রেকর্ড গড়ার জন্য মাত্র ২৭১ জন প্রয়োজন। কিন্তু আমরা ৩১৪ জন সমবেত হয়ে সেন্ট লুইসের প্রকৃত উদ্দীপনা তুলে ধরতে চাই।’
মজার এই রেকর্ড গড়ায় যারা অংশ নিতে চান, তাদের কাউকেই অন্তর্বাস সঙ্গে করে আনতে হবে না। মিজৌরি সিটি মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষই এই অন্তর্বাস সরবরাহ করবে। বিষয়টি এরই মধ্যে সাধারণ জনগণের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে