
নাম পরিবর্তনের অনুমতি পেয়েছেন বিশ্বের সেরা ধনী ইলন মাস্কের ট্রান্সজেন্ডার কন্যা। ইলন মাস্কের ১৮ বছর বয়সী কন্যার নাম ছিল জেভিয়ার আলেক্সান্ডার মাস্ক। আদালতের রায়ের ফলে তিনি তাঁর নাম বদলে ভিভিয়ান জেনা উইলসন রাখতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ট্যাবলয়েড ম্যাগাজিন টিএমজেডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইলন মাস্কের কন্যা বাবার সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ এবং নাম পরিবর্তনের জন্য আদালতে আবেদন করেছিলেন। ভিভিয়ান জেনা উইলসন তাঁর ১৮ তম জন্মদিনের অল্প কয়েক দিন পরেই আদালতে এই আবেদন করেন। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁকে তাঁর নাম পরিবর্তনের অনুমতি দেয়। এর আগে, ইলন মাস্কের স্ত্রী ও ভিভিয়ানের মা জাস্টিন উইলসনের সঙ্গে ইলন মাস্কের বিয়ে বিচ্ছেদ হয় ২০০৮ সালে।
টিএমজেডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলন মাস্কের কন্যা আগে জেভিয়ার আলেক্সান্ডার মাস্ক আগে নারী বলে পরিচিত হতেন। কিন্তু আদালতের এই রায়ের ফলে তাঁকে এখন দ্রুতই নতুন জন্মসনদ দেওয়া হবে।
ভিভিয়ান জেনা উইলসন তাঁর আবেদনে বলেছিলেন, ‘আমি কোনোভাবেই, কোনো উপায়েই আর আমার বাবার সঙ্গে থাকতে চাই না।’ তবে মাস্কের সঙ্গে তাঁর সন্তানের এমন সম্পর্কের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো কিছু জানা যায়নি।
ভিভিয়ানের পর ইলন মাস্কের আরও ৮ সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ১ জন জন্মের অল্প কয়েক দিন পরেই মারা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়িতে মদ তৈরির (হোম ডিস্টিলিং) ওপর বলবৎ থাকা ১৫৮ বছরের পুরোনো একটি ফেডারেল নিষেধাজ্ঞা অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছেন দেশটির একটি আপিল আদালত। গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নিউ অরলিন্সে অবস্থিত ‘ফিফথ ইউএস সার্কিট কোর্ট অব আপিল’ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন।
১ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলেও গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের জাহাজের চলাচল লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল শনিবার আলোচনা শুরুর আগে প্রথমবারের মতো পারস্য উপসাগর থেকে তিনটি বিশালাকার সুপারট্যাংকার সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য (শিপিং ডেটা) অনুযায়ী
১ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং গতকাল শনিবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করেছেন। মূলত একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যে বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল, প্রেসিডেন্ট লি জে–মিউংয়ের মন্তব্যের মাধ্যমে তা আরও চরমে পৌঁছেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গর্ভবতী নারীদের ভিসা আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিতে সাহায্য করে, এমন কিছু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এসব নারীর মূল লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে নবজাতকের জন্য মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা। ট্রাম্প এই ইস্যুটিকে সামনে এনেই
৪ ঘণ্টা আগে