
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ‘২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এ ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে দুই দেশ সমঝোতায় পৌঁছেছে বলেও জানিয়েছেন জো বাইডেন। আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সৌদি সরকারকে শুরু থেকেই দোষারোপ করে আসছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
শুক্রবারের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেছেন, ‘খাসোগি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি আমি সৌদি যুবরাজের সামনে উত্থাপন করেছি। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি কী ভেবেছিলাম এবং এখন কী ভাবছি, সেটাও স্পষ্ট করেছি। আমি সরাসরিই তাঁকে বলেছি যে মানবাধিকার ইস্যুতে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নীরব থাকার অর্থ হচ্ছে আমি কে বা আমরা কে তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া। আমি সব সময় আমাদের মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়াব।’
জো বাইডেন আরও বলেছেন, ‘আমি এমন ইঙ্গিত দিয়েছি যে খাসোগি হত্যাকাণ্ডের জন্য তিনি (যুবরাজ) দায়ী বলে মনে করি। তবে যুবরাজ বলেছেন, তিনি এ হত্যাকাণ্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী নন।’
খাসোগি হত্যা প্রসঙ্গ ছাড়াও তেল সরবরাহ, বাজার নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বিষয় নিয়েও সৌদি যুবরাজের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জো বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলনের পর ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শেরম্যান বিবিসিকে বলেছেন, সৌদি আরব বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ালে জীবন বাঁচবে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জ্বালানি ও নিরাপত্তার স্বার্থের কারণে বিশ্বের শীর্ষ তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবকে ‘অস্পৃশ্য’ করে রাখার ধারণা থেকে সরে এসেছেন বাইডেন। তিনি সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ‘ফিস্ট বাম্প’ (মুষ্টিবদ্ধ হাতে করমর্দন) করেছেন, যা উষ্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ‘২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এ ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে দুই দেশ সমঝোতায় পৌঁছেছে বলেও জানিয়েছেন জো বাইডেন। আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সৌদি সরকারকে শুরু থেকেই দোষারোপ করে আসছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
শুক্রবারের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেছেন, ‘খাসোগি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি আমি সৌদি যুবরাজের সামনে উত্থাপন করেছি। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি কী ভেবেছিলাম এবং এখন কী ভাবছি, সেটাও স্পষ্ট করেছি। আমি সরাসরিই তাঁকে বলেছি যে মানবাধিকার ইস্যুতে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নীরব থাকার অর্থ হচ্ছে আমি কে বা আমরা কে তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া। আমি সব সময় আমাদের মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়াব।’
জো বাইডেন আরও বলেছেন, ‘আমি এমন ইঙ্গিত দিয়েছি যে খাসোগি হত্যাকাণ্ডের জন্য তিনি (যুবরাজ) দায়ী বলে মনে করি। তবে যুবরাজ বলেছেন, তিনি এ হত্যাকাণ্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী নন।’
খাসোগি হত্যা প্রসঙ্গ ছাড়াও তেল সরবরাহ, বাজার নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বিষয় নিয়েও সৌদি যুবরাজের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জো বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলনের পর ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শেরম্যান বিবিসিকে বলেছেন, সৌদি আরব বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ালে জীবন বাঁচবে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জ্বালানি ও নিরাপত্তার স্বার্থের কারণে বিশ্বের শীর্ষ তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবকে ‘অস্পৃশ্য’ করে রাখার ধারণা থেকে সরে এসেছেন বাইডেন। তিনি সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ‘ফিস্ট বাম্প’ (মুষ্টিবদ্ধ হাতে করমর্দন) করেছেন, যা উষ্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে