
চীনের ৩৭টি প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করেছে, এই চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মার্কিন উপকরণ ব্যবহার করে নজরদারি বেলুন ও দেশটির সামরিক বাহিনীর জন্য ড্রোন তৈরি করেছিল।
ওয়াশিংটনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রেডিও ফ্রি এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাওয়া চীনা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২২টি মার্কিন কোয়ান্টাম প্রযুক্তি খাতের সহযোগিতা নিয়ে চীনের সামরিক বাহিনীর জন্য ড্রোন তৈরি করেছে। ১১টি কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা নজরদারি বেলুন তৈরি করেছে এবং অন্য কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ—তারা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য রাশিয়ায় বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করেছে।
জো বাইডেন ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন নিষেধাজ্ঞা পাওয়া এই ৩৭টি কোম্পানিসহ মোট ৩৫৫টি চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, এতসংখ্যক কোম্পানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অতীতের কোনো প্রেসিডেন্টের আমলে দেওয়া হয়নি।
মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালান এস্তেভেজ বলেছেন, ‘মূলত জাতীয় নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট উল্লেখযোগ্য উদ্বেগের কারণে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।’ তিনি জানান, এই কোম্পানিগুলো মার্কিন প্রযুক্তি চীনের সামরিক স্বার্থে ব্যবহার করছিল।
এস্তেভেজ আরও বলেছেন, ‘আজকের পদক্ষেপ গণপ্রজাতন্ত্রী চীন ও এর সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন প্রচেষ্টার কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরেকটি সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করে এমন উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে এমন মার্কিন প্রযুক্তিতে চীনা প্রবেশাধিকার বন্ধ করা থেকে এই জাতীয় কোম্পানিগুলোকে ঠেকানোর জন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

চীনের ৩৭টি প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করেছে, এই চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মার্কিন উপকরণ ব্যবহার করে নজরদারি বেলুন ও দেশটির সামরিক বাহিনীর জন্য ড্রোন তৈরি করেছিল।
ওয়াশিংটনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রেডিও ফ্রি এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাওয়া চীনা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২২টি মার্কিন কোয়ান্টাম প্রযুক্তি খাতের সহযোগিতা নিয়ে চীনের সামরিক বাহিনীর জন্য ড্রোন তৈরি করেছে। ১১টি কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা নজরদারি বেলুন তৈরি করেছে এবং অন্য কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ—তারা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য রাশিয়ায় বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করেছে।
জো বাইডেন ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন নিষেধাজ্ঞা পাওয়া এই ৩৭টি কোম্পানিসহ মোট ৩৫৫টি চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, এতসংখ্যক কোম্পানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অতীতের কোনো প্রেসিডেন্টের আমলে দেওয়া হয়নি।
মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালান এস্তেভেজ বলেছেন, ‘মূলত জাতীয় নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট উল্লেখযোগ্য উদ্বেগের কারণে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।’ তিনি জানান, এই কোম্পানিগুলো মার্কিন প্রযুক্তি চীনের সামরিক স্বার্থে ব্যবহার করছিল।
এস্তেভেজ আরও বলেছেন, ‘আজকের পদক্ষেপ গণপ্রজাতন্ত্রী চীন ও এর সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন প্রচেষ্টার কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরেকটি সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করে এমন উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে এমন মার্কিন প্রযুক্তিতে চীনা প্রবেশাধিকার বন্ধ করা থেকে এই জাতীয় কোম্পানিগুলোকে ঠেকানোর জন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলকে জানিয়েছেন, ইরানে যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সেটি যেন খুব দ্রুত এবং চূড়ান্ত আঘাত হয়। তিনি সপ্তাহ বা মাসের পর মাস ধরে চলতে থাকা কোনো যুদ্ধ চান না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ এক মার্কিন কর্মকর্তা, আলোচনার...
২১ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ঘোষণা দিয়েছেন, গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রণীত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া...
২ ঘণ্টা আগে
সশস্ত্র কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরাক থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। রয়টার্সকে এমনটি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ওপর কয়েক দিনের কঠোর দমনপীড়নের পর সৃষ্ট অস্থিরতার সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশটিতে বিদেশি শক্তিগুলোর সম্ভাব্য অস্থিরতা...
২ ঘণ্টা আগে
আর্কটিক মহাদেশের উত্তরের বৃহৎ দ্বীপগুলোর মধ্যে গ্রিনল্যান্ড শুধু ভৌগোলিক দিক থেকে নয়, কৌশলগত এবং জিওপলিটিক মাত্রায়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অবস্থান, আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামোতে বাফার ভূমিকা, উত্তরের সমুদ্রপথে প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক সম্পদ—সব মিলিয়ে এটি এখন আন্তর্জাতিক শক্তি...
৩ ঘণ্টা আগে