
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তাঁর স্ত্রী মিশেল ওবামাকে বানর হিসেবে উপস্থাপন করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করেন, যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক দ্য টাইমস জানিয়েছে, প্রায় এক মিনিট দৈর্ঘ্যের ওই ভিডিওর শেষ অংশে, মাত্র এক সেকেন্ডের জন্য ওবামা দম্পতির মুখ বানরের শরীরে বসানো অবস্থায় দেখানো হয়। ওই দৃশ্যে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজতে থাকে জনপ্রিয় গান ‘দ্য লায়ন স্লিপস টুনাইট’।
এ ছাড়া ভিডিওটিতে আবারও ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট কারচুপি হয়েছে বলে দাবি করা হয় এবং ব্যালট গণনাকারী প্রতিষ্ঠান ডমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমসকে নির্বাচন ‘চুরি’র জন্য দায়ী করা হয়। এই অভিযোগ এর আগে বহুবার মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য ডেমোক্রেটিক প্রার্থী ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম ওই পোস্টের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁর দপ্তরের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলা হয়েছে—‘প্রেসিডেন্টের এমন আচরণ ঘৃণ্য। প্রতিটি রিপাবলিকানকে এখনই এর নিন্দা জানাতে হবে।’
এদিকে বারাক ওবামার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার বেন রোডসও ভিডিওটির সমালোচনা করেছেন। তিনি লেখেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ওবামা দম্পতিকে ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করবে, আর ট্রাম্পকে ইতিহাসের এক কলঙ্ক হিসেবে অধ্যয়ন করবে—এই সত্য যেন তাকে ও তার বর্ণবাদী অনুসারীদের তাড়া করে ফেরে।’
বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ট্রাম্পের ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরেই ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ও কৃত্রিমভাবে তৈরি ভিডিও ব্যবহারের মাত্রা বাড়িয়েছেন। এসব ভিডিওতে তিনি প্রায়ই নিজের গুণগান প্রচার করেন এবং সমালোচকদের বিদ্রূপ করেন। গত বছর তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে বারাক ওবামাকে ওভাল অফিসে গ্রেপ্তার হয়ে কমলা রঙের কারাবন্দী পোশাকে দেখা যায়।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৩ ঘণ্টা আগে