
লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭৮। এ ছাড়া, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার মানুষ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ ও আটকা পড়াদের উদ্ধারে চালানো হচ্ছে জোর প্রচেষ্টা। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য রিও গ্রান্ডে ডো সুলের রাজধানী পোর্তো আলেগ্রে গতকাল সারা দিনই ছিল পানিতে নিমজ্জিত। কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে বন্যার পানিতে শহরটির হাজার হাজার মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শহরটির বাসিন্দারা তাদের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে উদ্ধারের আশা করছিলেন। বৃষ্টির পানিতে শহরের রাস্তা যেন পরিণত হয়েছে ছোট নদীতে! সেখানে অনেকেই ছোট নৌকায় চলাচল করেছে।
আটকে পড়া বাসিন্দাদের কাছে পানি এবং বিদ্যুৎ কিছুই ছিল না। তাদের উদ্ধারে তিন হাজারেরও বেশি সেনা, অগ্নিনির্বাপক এবং অন্য উদ্ধারকারীরা শহরটিতে যান।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলেছেন, সর্বশেষ এই বিপর্যয়কর আবহাওয়ায় অন্তত ১০৫ জন নিখোঁজ।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং সরকারের একাধিক মন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে রিও গ্রান্ডে ডো সুলের গভর্নর এডুয়ার্ডো লেইট বলেছেন, ‘সব দেখে যুদ্ধ দৃশ্যের মতো মনে হচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি শেষ হওয়ার পর যুদ্ধোত্তর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হবে।’
লুলা দা সিলভা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, রাজ্যটির পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে সরকার।
পোর্তো আলেগ্রে ছাড়া আরও ৩৪১টি শহর ও গ্রাম বন্যার কবলে পড়েছে।
শত শত রোগীকে নিয়মিত হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সেনারা ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করেছেন। বেসামরিক ব্যক্তিরাও লাইফ জ্যাকেট, পানি, জ্বালানিসহ মৌলিক প্রয়োজনীয় দ্রব্য সংগ্রহের জন্য স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করেছে।
প্রায় ১৪ লাখ বাসিন্দার শহর পোর্তো আলেগ্রে দিয়ে প্রবাহিত হওয়া গুয়াইবা নদীর পানি রেকর্ড ৫ দশমিক ৩ মিটার (১৭ দশমিক ৪ ফুট) উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানায় স্থানীয় পৌরসভা। এই নদীর পানি এর আগে ১৯৪১ সালের প্রলয়ংকরী বন্যায় সর্বোচ্চ ৪ দশমিক ৭৬ মিটার উঁচু দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে রিও গ্রান্ডে ডো সুল প্রায়ই চরম আবহাওয়ার মুখে পড়ে। কখনো কখনো সেখানে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। কখনো আবার দেখা দেয় খরা। স্থানীয় বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সেখানকার আবহাওয়া আরও চরম রূপ নিচ্ছে।
ব্রাজিলে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এই প্রথম নয়। চলতি বছরের বিগত চার মাসে অন্তত চার দফা বন্যা হয়েছে। এর আগে, গত বছরের জুলাই, সেপ্টেম্বর ও নভেম্বর মাসের বন্যায় অন্তত ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭৮। এ ছাড়া, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার মানুষ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ ও আটকা পড়াদের উদ্ধারে চালানো হচ্ছে জোর প্রচেষ্টা। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য রিও গ্রান্ডে ডো সুলের রাজধানী পোর্তো আলেগ্রে গতকাল সারা দিনই ছিল পানিতে নিমজ্জিত। কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে বন্যার পানিতে শহরটির হাজার হাজার মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শহরটির বাসিন্দারা তাদের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে উদ্ধারের আশা করছিলেন। বৃষ্টির পানিতে শহরের রাস্তা যেন পরিণত হয়েছে ছোট নদীতে! সেখানে অনেকেই ছোট নৌকায় চলাচল করেছে।
আটকে পড়া বাসিন্দাদের কাছে পানি এবং বিদ্যুৎ কিছুই ছিল না। তাদের উদ্ধারে তিন হাজারেরও বেশি সেনা, অগ্নিনির্বাপক এবং অন্য উদ্ধারকারীরা শহরটিতে যান।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলেছেন, সর্বশেষ এই বিপর্যয়কর আবহাওয়ায় অন্তত ১০৫ জন নিখোঁজ।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং সরকারের একাধিক মন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে রিও গ্রান্ডে ডো সুলের গভর্নর এডুয়ার্ডো লেইট বলেছেন, ‘সব দেখে যুদ্ধ দৃশ্যের মতো মনে হচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি শেষ হওয়ার পর যুদ্ধোত্তর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হবে।’
লুলা দা সিলভা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, রাজ্যটির পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে সরকার।
পোর্তো আলেগ্রে ছাড়া আরও ৩৪১টি শহর ও গ্রাম বন্যার কবলে পড়েছে।
শত শত রোগীকে নিয়মিত হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সেনারা ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করেছেন। বেসামরিক ব্যক্তিরাও লাইফ জ্যাকেট, পানি, জ্বালানিসহ মৌলিক প্রয়োজনীয় দ্রব্য সংগ্রহের জন্য স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করেছে।
প্রায় ১৪ লাখ বাসিন্দার শহর পোর্তো আলেগ্রে দিয়ে প্রবাহিত হওয়া গুয়াইবা নদীর পানি রেকর্ড ৫ দশমিক ৩ মিটার (১৭ দশমিক ৪ ফুট) উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানায় স্থানীয় পৌরসভা। এই নদীর পানি এর আগে ১৯৪১ সালের প্রলয়ংকরী বন্যায় সর্বোচ্চ ৪ দশমিক ৭৬ মিটার উঁচু দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে রিও গ্রান্ডে ডো সুল প্রায়ই চরম আবহাওয়ার মুখে পড়ে। কখনো কখনো সেখানে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। কখনো আবার দেখা দেয় খরা। স্থানীয় বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সেখানকার আবহাওয়া আরও চরম রূপ নিচ্ছে।
ব্রাজিলে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এই প্রথম নয়। চলতি বছরের বিগত চার মাসে অন্তত চার দফা বন্যা হয়েছে। এর আগে, গত বছরের জুলাই, সেপ্টেম্বর ও নভেম্বর মাসের বন্যায় অন্তত ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ এখন সংঘাতের দোরগোড়ায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়ার পর তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হামলা হলে তারা কেবল আমেরিকাকে নয়, বরং যেসব প্রতিবেশী দেশে মার্কিন...
১১ মিনিট আগে
দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে গাজা উপত্যকা আজ শিশুদের জন্য এক ভয়াবহ নরকে পরিণত হয়েছে। আহত, পঙ্গু ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ফিলিস্তিনি শিশুরা এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে—যেখানে শৈশব, শিক্ষা ও স্বপ্ন সবই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে গেছে।
২১ মিনিট আগে
ভারতে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে ইরানে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে ভারত সরকার। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এক জরুরি পরামর্শ জারি করে শিক্ষার্থী, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী ও পর্যটকসহ সব ভারতীয় নাগরিককে সম্ভাব্য সব ধরনের
১ ঘণ্টা আগে
রাজ্যের বিদার জেলার তালামাদাগি সেতুর কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন সঞ্জুকুমার। এ সময় রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে থাকা টানটান ঘুড়ির সুতায় তাঁর গলা গভীরভাবে কেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়ার পরও তিনি কোনোমতে তাঁর মেয়ের নম্বরে কল করতে সক্ষম হন।
১ ঘণ্টা আগে