আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন ট্রাম্প।
বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে (১১ জানুয়ারি) সিএনএন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে হস্তক্ষেপের বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তারা। এসব আলোচনায় সরাসরি মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার ছাড়াও বিকল্প পথ নিয়ে কথা হয়েছে। প্রস্তাবিত বেশ কয়েকটি বিকল্পে তেহরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, যাদের মাধ্যমে সরকার বিক্ষোভ দমন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউসের ভেতরে এ নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। প্রশাসনের একটি অংশ মনে করছে, সামরিক হামলা উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে এবং বিক্ষোভ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এমন হামলা ইরানের জনগণকে সরকারের পক্ষে একত্রিত করতে পারে কিংবা তেহরান পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। তবে ইরানে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিবেচনাধীন কোনো বিকল্পেই ইরানে সরাসরি মার্কিন সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে দেশজুড়ে ৩১টি প্রদেশে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইন্টারনেট ও টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরান সম্ভবত আগে কখনো না দেখা স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত।’ এর আগের দিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তেহরান যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যায় জড়ায়, যুক্তরাষ্ট্রও ‘জড়িয়ে পড়বে’। তাঁর ভাষায়, ‘এর অর্থ মাটিতে সেনা নামানো নয়, কিন্তু যেখানে সবচেয়ে বেশি ব্যথা পাবে, সেখানে কঠোর আঘাত।’
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে ফোনে আলোচনা করেছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করছে। নেতানিয়াহুও ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে সীমিত নিরাপত্তা বৈঠক ডাকতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন ট্রাম্প।
বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে (১১ জানুয়ারি) সিএনএন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে হস্তক্ষেপের বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তারা। এসব আলোচনায় সরাসরি মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার ছাড়াও বিকল্প পথ নিয়ে কথা হয়েছে। প্রস্তাবিত বেশ কয়েকটি বিকল্পে তেহরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, যাদের মাধ্যমে সরকার বিক্ষোভ দমন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউসের ভেতরে এ নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। প্রশাসনের একটি অংশ মনে করছে, সামরিক হামলা উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে এবং বিক্ষোভ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এমন হামলা ইরানের জনগণকে সরকারের পক্ষে একত্রিত করতে পারে কিংবা তেহরান পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। তবে ইরানে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিবেচনাধীন কোনো বিকল্পেই ইরানে সরাসরি মার্কিন সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে দেশজুড়ে ৩১টি প্রদেশে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইন্টারনেট ও টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরান সম্ভবত আগে কখনো না দেখা স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত।’ এর আগের দিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তেহরান যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যায় জড়ায়, যুক্তরাষ্ট্রও ‘জড়িয়ে পড়বে’। তাঁর ভাষায়, ‘এর অর্থ মাটিতে সেনা নামানো নয়, কিন্তু যেখানে সবচেয়ে বেশি ব্যথা পাবে, সেখানে কঠোর আঘাত।’
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে ফোনে আলোচনা করেছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করছে। নেতানিয়াহুও ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে সীমিত নিরাপত্তা বৈঠক ডাকতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
১ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৪ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকায় দেশ ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক হস্তক্ষেপের পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার প্রেসিডেন্ট করার একটি প্রস্তাবের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, বিষয়টি তাঁর কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল
৫ ঘণ্টা আগে