
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর ডাউনটাউনের রাস্তায় মাদকাসক্তদের ভয়াবহ ও মর্মান্তিক অবস্থার একটি ভিডিও নতুন করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, একসময়ের ঝকঝকে এই শহরের রাস্তায় সারি সারি মানুষ মাদকের প্রভাবে ‘জম্বি’র মতো স্থির হয়ে পড়ে আছে, যা দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ভিডিওটি সান ফ্রান্সিসকোর টেন্ডারলয়েন এলাকার সেভেনথ এবং মার্কেট স্ট্রিটে ধারণ করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মাদকের প্রভাবে মানুষজন নোংরা অবস্থায় অদ্ভুত সব ভঙ্গিতে হিমশীতল হয়ে পড়ে আছে। ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।
সান ফ্রান্সিসকোর রাস্তায় নিয়মিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনের খুঁটিনাটি ক্যামেরাবন্দী করেন জেজে স্মিথ। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি ভিডিওটি তাঁর অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন।
এদিকে ভিডিওটি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগ (এসএফপিডি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের বিশ্বাস এই ভিডিওটি কয়েক বছর আগের। এসএফপিডির কৌশলগত যোগাযোগ পরিচালক ইভান সেরনফস্কি বলেন, ‘প্রেক্ষাপট হিসেবে বলতে চাই, ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে আমরা মাদকবিরোধী কার্যক্রম ব্যাপকভাবে জোরদার করেছি। এ পর্যন্ত আমাদের বাহিনী ১৪ হাজার ৩৯২ জনের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ১ হাজার ২৫৯ পাউন্ডের বেশি মাদক জব্দ করেছে। ভিডিওটি যখন ধারণ করা হয়েছিল, তখনকার চেয়ে বর্তমান শহরটি অনেক আলাদা।’
৪ মিনিটের ভিডিওটির একপর্যায়ে দেখা যায়, মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা সামান্য নড়াচড়া করছে, আর জেজে স্মিথ তাঁদের একজনকে প্যান্ট ঠিক করে পরতে বলছেন। ক্লিপটিতে মাদক ব্যবহারের দৃশ্যও স্পষ্ট; একজনকে গ্লাস পাইপ হাতে দেখা গেছে এবং তিনি জানিয়েছেন, নেশার জন্য তাঁরা ফেন্টানিল ও ক্রিস্টাল ব্যবহার করছেন। স্মিথের সঙ্গে কথা বলা আরেক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি স্যাক্রামেন্টো থেকে এসেছেন। তাঁর ভাষ্যমতে, ‘সান ফ্রান্সিসকোয় মাদক সস্তা এবং গুণগত মান ভালো, তাই এখানে এসেছি।’
ভিডিওটি প্রকাশের পর নেটিজেনরা এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। অনেকে এটিকে ‘কিয়ামতের শুরু’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘আমেরিকার অন্যতম সুন্দর এই শহরের রাস্তাগুলোকে আমরা কেন এভাবে মাদকসেবীদের দখলে যেতে দিচ্ছি?’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘ক্যালিফোর্নিয়ার করদাতাদের বিলিয়ন ডলার চুরি হচ্ছে, কিন্তু সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। ভোটারদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।’ অন্য একজন লেখেন, ‘এটি সহমর্মিতা নয়। সিটি সরকার জেনেশুনেই মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ব্যালট বাক্সে আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
সান ফ্রান্সিসকো বর্তমানে মাত্রাতিরিক্ত মাদক সেবন বা ‘ওভারডোজ’-এর কারণে মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে বিপর্যস্ত। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাদক ওভারডোজে মৃত্যুর তালিকায় সান ফ্রান্সিসকো দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে; তালিকার শীর্ষে রয়েছে বাল্টিমোর।
তবে আশার কথা হলো, ওপিওড বা মাদক-সংকট অব্যাহত থাকলেও সরকারি পরিসংখ্যানে কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। সান ফ্রান্সিসকোতে সামগ্রিক ওভারডোজজনিত মৃত্যুর হার কিছুটা কমেছে। ২০২৫ সালে মৃত্যুর হার গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ছিল। তবু মাথাপিছু ওভারডোজ মৃত্যুর হারের দিক থেকে শহরটি এখনো জাতীয় তালিকার শীর্ষে রয়েছে।

সীমান্ত থেকে রাশিয়ার প্রায় ১,০৬০ মাইল ভেতরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে দেশটির অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে ইউক্রেন। দেশটির সামরিক সূত্র বলছে, গত ২৫ এপ্রিল চেলিয়াবিনস্ক অঞ্চলের শাগোল বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়।
১৬ মিনিট আগে
হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ বিষয়ে নিজের মনোভাব ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু আমি এতে সন্তুষ্ট নই।’ তবে ইরানের নতুন প্রস্তাবে ঠিক কোন বিষয়গুলো তাঁর পছন্দ হয়নি বা কোন জায়গাটিতে তিনি আপত্তি জানিয়েছেন, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।
৪০ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের নাগরিকদের জন্য ইরান, ইরাক ও লেবানন সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতির অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন ডিফেন্স ম্যানপাওয়ার ডেটা সেন্টারের (ডিএমডিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইতালিতে ১২ হাজার ৬৬২ জন এবং স্পেনে ৩ হাজার ৮১৪ মার্কিন সেনা সক্রিয়ভাবে মোতায়েন ছিল।
২ ঘণ্টা আগে