
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার। ঐতিহ্য অনুসারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে বছর অনুষ্ঠিত হবে সে বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়। তার ধারাবাহিকতায় এবারও ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। সাধারণত, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়ে যায়। যেহেতু হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, সে ক্ষেত্রে এবার হয়তো ফলাফল ঘোষণায় সামান্য দেরি হতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, অতীতে অনেক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর সেদিন রাতেই অথবা পরদিন সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এবার, অনেকগুলো অঙ্গরাজ্যে দুই প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া গেছে। ফলে, সাধারণ সময়ের তুলনায় এবারে ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে।
বিভিন্ন জরিপ থেকে দেখা গেছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরস্পরকে টক্কর দিচ্ছেন খুব সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে বা পিছিয়ে থেকে। ব্যবধান এতই কম যে, ফলাফল যেকোনো দিকে যেতে পারে।
এদিকে, কোনো প্রার্থী যদি নজিরবিহীনভাবে অপর প্রার্থীর তুলনায় অল্প ব্যবধানে জয়ী হন তাহলে ভোট পুনর্গণনা করা হতে পারে। যেমন, গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট পেনসিলভানিয়ার রাজ্য আইন অনুসারে ভোট পুনর্গণনা বাধ্যতামূলক হবে, যদি বিজয়ী এবং পরাজিত প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্টের মধ্যে থাকে। ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যে এই ব্যবধান ছিল ১ দশমিক ১ শতাংশের একটু বেশি।
এ ছাড়া, আছে আইনি চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনাও। এরই মধ্যে ১০০ টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মধ্যে, ভোটারের যোগ্যতা ও ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে দায়ের করা চ্যালেঞ্জ অন্যতম। অথবা, ভোটের দিন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ভোটকেন্দ্রে কোনো ঝামেলা হলে তাতেও ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হতে পারে।
এদিকে, এরই মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অগ্রিম ভোট গণনা শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ভোট গণনা এগিয়ে চলছে দ্রুততার সঙ্গে। এ ছাড়া, গত নির্বাচনের সময় কোভিড মহামারি থাকায় অনেক ভোটারই ভোট দিয়েছিলেন ডাকযোগে। এবার সেই সংখ্যা কম হবে এবং সরাসরি দেওয়া ভোটের সংখ্যা বাড়ায় গণনায় সময় লাগবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।
তবে সব মিলিয়ে আশা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরপরই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ফলাফল ঘোষণার পরপরই নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব গ্রহণ করেন না। ঐতিহ্য অনুসারে, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি (সোমবার) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল কমপ্লেক্সে শপথগ্রহণের মাধ্যমে তাঁর কার্যকাল শুরু করবেন।
এটি হবে মার্কিন ইতিহাসের ৬০ তম প্রেসিডেন্ট শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে নতুন প্রেসিডেন্ট সংবিধান রক্ষার শপথ নেবেন এবং তারপর অভিষেক ভাষণ দেবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার। ঐতিহ্য অনুসারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে বছর অনুষ্ঠিত হবে সে বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়। তার ধারাবাহিকতায় এবারও ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। সাধারণত, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়ে যায়। যেহেতু হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, সে ক্ষেত্রে এবার হয়তো ফলাফল ঘোষণায় সামান্য দেরি হতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, অতীতে অনেক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর সেদিন রাতেই অথবা পরদিন সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এবার, অনেকগুলো অঙ্গরাজ্যে দুই প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া গেছে। ফলে, সাধারণ সময়ের তুলনায় এবারে ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে।
বিভিন্ন জরিপ থেকে দেখা গেছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরস্পরকে টক্কর দিচ্ছেন খুব সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে বা পিছিয়ে থেকে। ব্যবধান এতই কম যে, ফলাফল যেকোনো দিকে যেতে পারে।
এদিকে, কোনো প্রার্থী যদি নজিরবিহীনভাবে অপর প্রার্থীর তুলনায় অল্প ব্যবধানে জয়ী হন তাহলে ভোট পুনর্গণনা করা হতে পারে। যেমন, গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট পেনসিলভানিয়ার রাজ্য আইন অনুসারে ভোট পুনর্গণনা বাধ্যতামূলক হবে, যদি বিজয়ী এবং পরাজিত প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্টের মধ্যে থাকে। ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যে এই ব্যবধান ছিল ১ দশমিক ১ শতাংশের একটু বেশি।
এ ছাড়া, আছে আইনি চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনাও। এরই মধ্যে ১০০ টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মধ্যে, ভোটারের যোগ্যতা ও ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে দায়ের করা চ্যালেঞ্জ অন্যতম। অথবা, ভোটের দিন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ভোটকেন্দ্রে কোনো ঝামেলা হলে তাতেও ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হতে পারে।
এদিকে, এরই মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অগ্রিম ভোট গণনা শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ভোট গণনা এগিয়ে চলছে দ্রুততার সঙ্গে। এ ছাড়া, গত নির্বাচনের সময় কোভিড মহামারি থাকায় অনেক ভোটারই ভোট দিয়েছিলেন ডাকযোগে। এবার সেই সংখ্যা কম হবে এবং সরাসরি দেওয়া ভোটের সংখ্যা বাড়ায় গণনায় সময় লাগবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।
তবে সব মিলিয়ে আশা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরপরই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ফলাফল ঘোষণার পরপরই নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব গ্রহণ করেন না। ঐতিহ্য অনুসারে, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি (সোমবার) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল কমপ্লেক্সে শপথগ্রহণের মাধ্যমে তাঁর কার্যকাল শুরু করবেন।
এটি হবে মার্কিন ইতিহাসের ৬০ তম প্রেসিডেন্ট শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে নতুন প্রেসিডেন্ট সংবিধান রক্ষার শপথ নেবেন এবং তারপর অভিষেক ভাষণ দেবেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে