Ajker Patrika

নিউইয়র্কে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে রথী-মহারথীসহ শতাধিক গ্রেপ্তার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ৫৭
নিউইয়র্কে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে রথী-মহারথীসহ শতাধিক গ্রেপ্তার
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডনকে। ছবি: এএফপি

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভ থেকে সুপরিচিত ব্যক্তিত্বসহ প্রায় ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ। পরে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ জানায়, মোট ১০৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁদের সবাইকে ‘অশান্ত আচরণের’ অভিযোগে আদালতে হাজিরার নোটিশ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ম্যানহাটনের মিডটাউনে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের কাছে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। ইহুদি অধিকার সংগঠন ‘জিউইশ ভয়েস ফর পিস’ প্রায় ২৫০ জনকে নিয়ে ৩৯তম স্ট্রিট ও ফার্স্ট অ্যাভিনিউয়ের মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। তাঁরা সড়ক অবরোধ করে স্লোগান দেন এবং ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ ও গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানান। পুলিশের নির্দেশের পরও যাঁরা অবস্থান ছাড়েননি, তাঁদের আটক করা হয়।

অন্যদিকে ‘প্যালেস্টিনিয়ান ইয়ুথ মুভমেন্ট অব নিউইয়র্ক’ ও ‘নিউইয়র্ক সিটি ওয়ার্কার্স ফর প্যালেস্টাইন’-এর আয়োজনে এক হাজারের বেশি মানুষ ম্যানহাটনের ব্যস্ত সড়কে মিছিল করেন। বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানান।

গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের সদস্য চি ওসে, ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস প্রার্থী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের এবং অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন ও হান্না আইনবাইন্ডার ছিলেন।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভের অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল গাজা যুদ্ধ। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ২০২৪ সালে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল; আদালত তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের কথা জানিয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন—যদিও ইসরায়েল এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি আগে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে নগরীর আইন বিভাগের পরামর্শের ভিত্তিতে সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন। তবে তিনি বিক্ষোভের অধিকারকে নিউইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এদিকে নেতানিয়াহু জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে মামদানির সমালোচনা করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত