
কিরগিজস্তানের বিশকেকে আটকে থাকা ১৪০ জন পাকিস্তানি শিক্ষার্থী লাহোরে পৌঁছেছেন। গতকাল শনিবার রাতে তাঁরা আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। আজ রোববার এতথ্য জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। খবর ডনের।
বিশকেকে পাকিস্তানিসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে ঢুকে হামলা চালিয়েছিল স্থানীয়রা। এমতাবস্থায়, গতকাল শনিবার কিরগিজ রাষ্ট্রদূত মেলিস মোলদালিভকে তলব করেছিল পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর। রাষ্ট্রদূতকে ডেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরেই থাকুক।
একদিকে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছিল, অন্যদিকে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা দেশে ফিরে এসেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঘরে থাকার নির্দেশনা দিলেও তারা তা মানেননি। নিজেরাই ফিরেছেন দেশে।
এদিকে হামলার ঘটনায় সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ আবাসস্থলে সতর্কতার সঙ্গে অবস্থানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস একই সঙ্গে কিরগিজস্তানের জন্যও দায়িত্বপ্রাপ্ত। বিশকেকে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার পর দূতাবাস পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। দূতাবাস এ বিষয়ে কিরগিজস্তান সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ১৩ মে কিরগিজ ও মিসরীয় ছাত্রদের মধ্যে লড়াইয়ের ভিডিও গত শুক্রবার ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে আক্রমণ করে, সেখানে বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি এবং অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থী বসবাস করেন। এ ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বাসভবনেও হামলা হয়।
কিরগিজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, চার পাকিস্তানিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং একজনকে চোয়ালের আঘাতের জন্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কিরগিজস্তানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হাসান জাইঘাম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তিনি বলেছিলেন, স্থানীয় চরমপন্থীরা গত রাতে বিশকেকের ছয়টি আন্তর্জাতিক ছাত্র হোস্টেল এবং তাঁদের ব্যক্তিগত বাসভবনে হামলা চালিয়েছে। এতে ১৪ জন আহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বিশকেকের সমস্ত পাকিস্তানি ছাত্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বিশকেকের সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি রাষ্ট্রদূত জাইঘামকে পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের সমস্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত জাইঘামকে পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের হোস্টেল পরিদর্শন করতে এবং তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে বলেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী এক্সে লিখেছেন, ‘কিরগিজস্তানের বিশকেকে পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে সমস্ত প্রয়োজনীয় সাহায্য ও সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে একটি বিশেষ ফ্লাইটে কাশ্মীরবিষয়ক মন্ত্রী আমির মুকামের সঙ্গে দেখা করতে বিশকেকে যেতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কিরগিজস্তানের বিশকেকে আটকে থাকা ১৪০ জন পাকিস্তানি শিক্ষার্থী লাহোরে পৌঁছেছেন। গতকাল শনিবার রাতে তাঁরা আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। আজ রোববার এতথ্য জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। খবর ডনের।
বিশকেকে পাকিস্তানিসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে ঢুকে হামলা চালিয়েছিল স্থানীয়রা। এমতাবস্থায়, গতকাল শনিবার কিরগিজ রাষ্ট্রদূত মেলিস মোলদালিভকে তলব করেছিল পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর। রাষ্ট্রদূতকে ডেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরেই থাকুক।
একদিকে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছিল, অন্যদিকে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা দেশে ফিরে এসেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঘরে থাকার নির্দেশনা দিলেও তারা তা মানেননি। নিজেরাই ফিরেছেন দেশে।
এদিকে হামলার ঘটনায় সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ আবাসস্থলে সতর্কতার সঙ্গে অবস্থানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস একই সঙ্গে কিরগিজস্তানের জন্যও দায়িত্বপ্রাপ্ত। বিশকেকে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার পর দূতাবাস পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। দূতাবাস এ বিষয়ে কিরগিজস্তান সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ১৩ মে কিরগিজ ও মিসরীয় ছাত্রদের মধ্যে লড়াইয়ের ভিডিও গত শুক্রবার ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে আক্রমণ করে, সেখানে বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি এবং অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থী বসবাস করেন। এ ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বাসভবনেও হামলা হয়।
কিরগিজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, চার পাকিস্তানিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং একজনকে চোয়ালের আঘাতের জন্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কিরগিজস্তানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হাসান জাইঘাম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তিনি বলেছিলেন, স্থানীয় চরমপন্থীরা গত রাতে বিশকেকের ছয়টি আন্তর্জাতিক ছাত্র হোস্টেল এবং তাঁদের ব্যক্তিগত বাসভবনে হামলা চালিয়েছে। এতে ১৪ জন আহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বিশকেকের সমস্ত পাকিস্তানি ছাত্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বিশকেকের সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি রাষ্ট্রদূত জাইঘামকে পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের সমস্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত জাইঘামকে পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের হোস্টেল পরিদর্শন করতে এবং তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে বলেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী এক্সে লিখেছেন, ‘কিরগিজস্তানের বিশকেকে পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে সমস্ত প্রয়োজনীয় সাহায্য ও সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে একটি বিশেষ ফ্লাইটে কাশ্মীরবিষয়ক মন্ত্রী আমির মুকামের সঙ্গে দেখা করতে বিশকেকে যেতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির কঠোরপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৩৬ মিনিট আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে