আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সীমান্তে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে সীমান্ত এলাকায় অঞ্চলে অন্তত ২১ জন নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বিগত কয়েক দিন ধরে এক সময়ের মিত্র এই দুই দেশের মধ্যে শত্রুতা ক্রমেই বাড়ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতভর চলা এই সংঘর্ষ আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের স্পিন বোলডাক জেলা ও পাকিস্তানের চামান জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।
এক্সে দেওয়া পোস্টে তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ অভিযোগ করেন, পাকিস্তানি সেনারা আগে গুলি চালিয়ে সংঘর্ষ শুরু করে। তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী ‘হালকা ও ভারী অস্ত্র’ ব্যবহার করে আফগানিস্তানের ভেতরে হামলা চালায়, এতে ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও শতাধিক আহত হন।
মুজাহিদ দাবি করেন, আফগান বাহিনী পাল্টা হামলা চালিয়ে ‘বিশাল সংখ্যক’ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করেছে, পাকিস্তানি অস্ত্র ও ট্যাংক দখল করেছে এবং তাদের সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
স্পিন বোলডাক জেলার জনসংযোগ কর্মকর্তা আলী মোহাম্মদ হাকমাল জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি এক জেলা হাসপাতালের কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ৮০ জন নারী ও শিশু রয়েছে।
পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমে তালেবানই পাকিস্তানের একটি সামরিক চৌকি ও সীমান্তের আশপাশে গোলাবর্ষণ শুরু করে। এতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে এবং চার পাকিস্তানি বেসামরিক নাগরিক আহত হন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে ছয়জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই সহিংসতা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে।
পাকিস্তানের চামান জেলার বাসিন্দা নাজিবুল্লাহ খান বলেন, গোলাগুলির সময় সীমান্তের কাছের অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। তিনি বলেন, ‘মানুষ খুব কষ্টে আছে। গোলার আঘাতে অনেকের বাড়িঘরে আগুন লেগে গেছে।’
পাকিস্তান সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আফগান তালেবানের হামলা ‘কার্যকরভাবে প্রতিহত’ করেছে। এতে ১৫ থেকে ২০ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছে। সেনাবাহিনী আরও জানায়, একই রাতে উত্তরের কুররম জেলাতেও তারা আলাদা এক তালেবান হামলা প্রতিহত করেছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আরও বলেছে, ‘পাকিস্তানই আগে হামলা চালিয়েছে—এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। পাকিস্তানের পোস্ট বা অস্ত্র দখলের কথাও মিথ্যা। দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার থেকেই আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়ে ওঠে। সেদিনও দুই পক্ষ সীমান্তের একাধিক স্থানে গোলাগুলি চালায়, তাতেও দুই দেশের বহু মানুষ হতাহত হন।

সীমান্তে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে সীমান্ত এলাকায় অঞ্চলে অন্তত ২১ জন নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বিগত কয়েক দিন ধরে এক সময়ের মিত্র এই দুই দেশের মধ্যে শত্রুতা ক্রমেই বাড়ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতভর চলা এই সংঘর্ষ আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের স্পিন বোলডাক জেলা ও পাকিস্তানের চামান জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।
এক্সে দেওয়া পোস্টে তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ অভিযোগ করেন, পাকিস্তানি সেনারা আগে গুলি চালিয়ে সংঘর্ষ শুরু করে। তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী ‘হালকা ও ভারী অস্ত্র’ ব্যবহার করে আফগানিস্তানের ভেতরে হামলা চালায়, এতে ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও শতাধিক আহত হন।
মুজাহিদ দাবি করেন, আফগান বাহিনী পাল্টা হামলা চালিয়ে ‘বিশাল সংখ্যক’ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করেছে, পাকিস্তানি অস্ত্র ও ট্যাংক দখল করেছে এবং তাদের সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
স্পিন বোলডাক জেলার জনসংযোগ কর্মকর্তা আলী মোহাম্মদ হাকমাল জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি এক জেলা হাসপাতালের কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ৮০ জন নারী ও শিশু রয়েছে।
পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমে তালেবানই পাকিস্তানের একটি সামরিক চৌকি ও সীমান্তের আশপাশে গোলাবর্ষণ শুরু করে। এতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে এবং চার পাকিস্তানি বেসামরিক নাগরিক আহত হন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে ছয়জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই সহিংসতা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে।
পাকিস্তানের চামান জেলার বাসিন্দা নাজিবুল্লাহ খান বলেন, গোলাগুলির সময় সীমান্তের কাছের অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। তিনি বলেন, ‘মানুষ খুব কষ্টে আছে। গোলার আঘাতে অনেকের বাড়িঘরে আগুন লেগে গেছে।’
পাকিস্তান সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আফগান তালেবানের হামলা ‘কার্যকরভাবে প্রতিহত’ করেছে। এতে ১৫ থেকে ২০ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছে। সেনাবাহিনী আরও জানায়, একই রাতে উত্তরের কুররম জেলাতেও তারা আলাদা এক তালেবান হামলা প্রতিহত করেছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আরও বলেছে, ‘পাকিস্তানই আগে হামলা চালিয়েছে—এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। পাকিস্তানের পোস্ট বা অস্ত্র দখলের কথাও মিথ্যা। দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার থেকেই আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়ে ওঠে। সেদিনও দুই পক্ষ সীমান্তের একাধিক স্থানে গোলাগুলি চালায়, তাতেও দুই দেশের বহু মানুষ হতাহত হন।

২৬ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম এরফান সোলতানি। তাঁকে ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত শহর ফারদিসের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নরওয়েভিত্তিক কুর্দি মানবাধিকার সংগঠন হেনগাও জানায়, গ্রেপ্তারের কয়েক দিনের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবারকে জানায়, বুধবার তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।
১ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ চীন সাগরে মহড়া শেষ করে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী সেখান থেকে সরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাত্রা করেছে বলে জানা গেছে। ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই খবরের ঠিক আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা করতে হামাসের শীর্ষ নেতা ও গাজার অন্যান্য ফিলিস্তিনি সংগঠনের প্রতিনিধিরা মিসরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থান করছেন। যুদ্ধবিরতি কার্যত টালমাটাল অবস্থায়। কারণ, ইসরায়েল একের পর এক তা লঙ্ঘন করছে এবং গাজায় গণহত্যামূলক
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট–আইসিই এজেন্টরা একটি গাড়ি থেকে টেনে–হিঁচড়ে বের করে নেওয়ার সময় চিৎকার করতে থাকা যে নারীর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, তাঁকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি একজন প্রযুক্তিবিদ, এলজিবিটি ও বর্ণবৈষম্যবিরোধী অধিকারকর্মী।
৫ ঘণ্টা আগে