
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমাবেশ করা নিষিদ্ধ। এ অবস্থায় ভক্ত-সমর্থকদের মনোবল চাঙা রাখতে তাদের উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে একটি অডিও বার্তা দিয়েছেন ইমরান খান। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এটি মূলত একটি ভার্চুয়াল সমাবেশের অংশ ছিল। সমাবেশটিতে ভার্চুয়ালি যোগ দেন পিটিআইয়ের নেতা-কর্মীরা। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের রাজনীতিতে প্রথম এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি হলো। তবে দেশটির ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হওয়ায় অডিও বার্তাটি শুনতে পিটিআইয়ের সমর্থকদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
পিটিআইয়ের ওই ভার্চুয়াল সমাবেশে ইমরান খানের ছবির সঙ্গে অডিও ক্লিপটি বাজানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবেই অডিওটি ১৪ লাখের বেশি মানুষ দেখেছে। এ ছাড়া সরাসরি সম্প্রচারের সময় অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমেও হাজার হাজার মানুষ শুনেছে অডিওটি।
অডিও বার্তায় ইমরান খানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের দলকে জনসমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। দলের লোকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং তাদের পরিবারকে নিপীড়ন করা হচ্ছে। ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলে দলে পিটিআইয়ের পক্ষে যোগ দিয়ে আমাদের এসব অত্যাচারের জবাব দিতে হবে।’
ধারণা করা হচ্ছে, পিটিআই যেন ভার্চুয়াল সমাবেশ না করতে পারে, সে জন্যই ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল, যা আসন্ন নির্বাচন নিয়ে পাকিস্তান সরকারের স্বচ্ছতার ব্যাপারে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পাকিস্তানের টেলিকম নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বলেছে, ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে ইন্টারনেট সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে বলেও জানায় তারা।
অডিও বার্তায় ইমরানকে যেসব কথা বলতে শোনা যায়, সেগুলো প্রথমে লিখিত আকারে তাঁর কাছে সম্মতির জন্য পেশ করা হয়েছিল। পিটিআইয়ের জনসমাবেশ করার ক্ষেত্রে বাধা থাকার কারণে দলটি এই ভার্চুয়াল সমাবেশ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমাবেশ করা নিষিদ্ধ। এ অবস্থায় ভক্ত-সমর্থকদের মনোবল চাঙা রাখতে তাদের উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে একটি অডিও বার্তা দিয়েছেন ইমরান খান। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এটি মূলত একটি ভার্চুয়াল সমাবেশের অংশ ছিল। সমাবেশটিতে ভার্চুয়ালি যোগ দেন পিটিআইয়ের নেতা-কর্মীরা। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের রাজনীতিতে প্রথম এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি হলো। তবে দেশটির ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হওয়ায় অডিও বার্তাটি শুনতে পিটিআইয়ের সমর্থকদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
পিটিআইয়ের ওই ভার্চুয়াল সমাবেশে ইমরান খানের ছবির সঙ্গে অডিও ক্লিপটি বাজানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবেই অডিওটি ১৪ লাখের বেশি মানুষ দেখেছে। এ ছাড়া সরাসরি সম্প্রচারের সময় অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমেও হাজার হাজার মানুষ শুনেছে অডিওটি।
অডিও বার্তায় ইমরান খানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের দলকে জনসমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। দলের লোকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং তাদের পরিবারকে নিপীড়ন করা হচ্ছে। ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলে দলে পিটিআইয়ের পক্ষে যোগ দিয়ে আমাদের এসব অত্যাচারের জবাব দিতে হবে।’
ধারণা করা হচ্ছে, পিটিআই যেন ভার্চুয়াল সমাবেশ না করতে পারে, সে জন্যই ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল, যা আসন্ন নির্বাচন নিয়ে পাকিস্তান সরকারের স্বচ্ছতার ব্যাপারে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পাকিস্তানের টেলিকম নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বলেছে, ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে ইন্টারনেট সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে বলেও জানায় তারা।
অডিও বার্তায় ইমরানকে যেসব কথা বলতে শোনা যায়, সেগুলো প্রথমে লিখিত আকারে তাঁর কাছে সম্মতির জন্য পেশ করা হয়েছিল। পিটিআইয়ের জনসমাবেশ করার ক্ষেত্রে বাধা থাকার কারণে দলটি এই ভার্চুয়াল সমাবেশ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে