পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু এলাকা এবং নতুন নতুন এলাকা বন্যার পানি প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিন্ধু প্রদেশের দাদু জেলা। গতকাল বুধবার পর্যন্ত বন্যায় মোট মারা গেছেন ১ হাজার ১৬২ জন। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
দেশটির জাতীয় বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) বলছে, ১৪ জুন থেকে বানের জলে আহতের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজারের বেশি। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছ, দেশটিতে বন্যায় আহত হয়েছেন ১ হাজার ৬ শ জনেরও বেশি। এ ছাড়া বন্যায় দেশটির ৩ লাখ ২৫ হাজার ঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭ লাখ ৩৩ হাজার ঘর।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বন্যায় দেশটির ৭ লাখ ৩৫ হাজার গবাদিপশু হয় প্রাণ হারিয়েছে নয়তো ভেসে গেছে।
গতকাল বন্যার আপডেটে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৬ জন, আহত ১ হাজার ৯৪১। সিন্ধু প্রদেশের দাদু জেলার সহকারী কমিশনার সৈয়দ মুর্তাজা আলী জানান, এ জেলায় বন্যার কারণে এরই মধ্যে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১২ লাখ মানুষ। এখনো পানি কমার নাম নেই।
এদিকে, বন্যা পরিস্থিতি দেখতে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশটিতে গেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসন রাতদিন কাজ করছে।
ইতিহাস বলছে, এই বন্যা যেন দেশটিতে ২০১০ সালে হয়ে যাওয়া বন্যারই প্রতিচ্ছবি। দেশটির ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা ছিল সেই বারের বন্যা। সেই বন্যায় ২ হাজারের বেশি পাকিস্তানি মারা গিয়েছিলেন।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৭ ঘণ্টা আগে