
পাকিস্তান সংলগ্ন সীমান্ত ক্রসিংয়ে গতকাল রোববার গুলি চালিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনী। এতে পাকিস্তানের অন্তত ছয়জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বেলুচিস্তান প্রদেশের চামান শহরের কাছে বিনা উসকানিতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে এ হতাহতের ঘটিয়েছে তালেবান বাহিনী। পাকিস্তানের সীমান্ত সৈন্যরাও এ হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে। তবে তারা নিরীহ বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরতে ইতিমধ্যে কাবুলে আফগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পাকিস্তান। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রবীণ প্রাদেশিক সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, আফগান বাহিনী সীমান্তে বেড়ার অংশ কাটার চেষ্টা করছিল। তখন এ সংঘর্ষটি ঘটে। তবে কাবুল তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।
আফগানিস্তানের স্পিন বোলদাক শহর ও পাকিস্তানের চামান শহরের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন সীমান্ত দিয়ে যাওয়া আসা করে। এই ক্রসিং দিয়ে বেশির ভাগ মানুষ পাকিস্তানে চিকিৎসা নিতে ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যান।
গত মাসে একজন বন্দুকধারী চামান সীমান্ত ক্রসিংয়ে একজন পাকিস্তানি নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করে হত্যা করে। তারপর এক সপ্তাহের জন্য ক্রসিংটি বন্ধ ছিল।
গত বছর চরমপন্থী গোষ্ঠী তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা বেড়েছে। পাকিস্তান অভিযোগ করেছে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো আফগানিস্তান থেকে হামলার পরিকল্পনা করছে।
তবে তালেবান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানি সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করেছে।

পাকিস্তান সংলগ্ন সীমান্ত ক্রসিংয়ে গতকাল রোববার গুলি চালিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনী। এতে পাকিস্তানের অন্তত ছয়জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বেলুচিস্তান প্রদেশের চামান শহরের কাছে বিনা উসকানিতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে এ হতাহতের ঘটিয়েছে তালেবান বাহিনী। পাকিস্তানের সীমান্ত সৈন্যরাও এ হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে। তবে তারা নিরীহ বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরতে ইতিমধ্যে কাবুলে আফগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পাকিস্তান। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রবীণ প্রাদেশিক সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, আফগান বাহিনী সীমান্তে বেড়ার অংশ কাটার চেষ্টা করছিল। তখন এ সংঘর্ষটি ঘটে। তবে কাবুল তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।
আফগানিস্তানের স্পিন বোলদাক শহর ও পাকিস্তানের চামান শহরের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন সীমান্ত দিয়ে যাওয়া আসা করে। এই ক্রসিং দিয়ে বেশির ভাগ মানুষ পাকিস্তানে চিকিৎসা নিতে ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যান।
গত মাসে একজন বন্দুকধারী চামান সীমান্ত ক্রসিংয়ে একজন পাকিস্তানি নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করে হত্যা করে। তারপর এক সপ্তাহের জন্য ক্রসিংটি বন্ধ ছিল।
গত বছর চরমপন্থী গোষ্ঠী তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা বেড়েছে। পাকিস্তান অভিযোগ করেছে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো আফগানিস্তান থেকে হামলার পরিকল্পনা করছে।
তবে তালেবান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানি সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করেছে।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩৭ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে