
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ইলহান ওমর সরকারি সফরে পাকিস্তানে যাননি বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস। আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) থেকে পাকিস্তানে চার দিনের সফর শুরু করেছেন ইলহান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তাঁর উত্তরসূরি শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও দেখা করেছেন। এ সফরে তিনি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরও সফর করেন। ভারত তাঁর এ সফরের নিন্দা করেছে। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘যদি এই ধরনের রাজনীতিবিদ বাড়িতে তাঁর সংকীর্ণ মানসিকতার রাজনীতি অনুশীলন করতে চান তবে সেটা তাঁর ব্যাপার। তবে সেটি করতে গিয়ে আমাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা হলে সেটি তখন আমাদের ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়। এটা নিন্দনীয়।’
যুক্তরাষ্ট্র আজ শুক্রবার ইলহানের সফরের ব্যাখ্যা দিয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নেড প্রাইস বলেন, ‘ইলহান ওমর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তরফে পাকিস্তান সফর করছেন না। তাঁর এ সফর সম্পর্কে তাঁর দপ্তরই ব্যাখ্যা দিতে পারবে।’
২০-২৪ এপ্রিল পর্যন্ত সফরে ইলহান ওমর ইসলামাবাদে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের কিছু অংশ পরিদর্শন করবেন। এ ব্যাপারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, এ মার্কিন কংগ্রেস ওম্যান পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সম্পর্কে আরও বেশি বোঝার জন্য লাহোর এবং ‘আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর’ সফর করবেন।
সফরের প্রথম দিনে তিনি পাকিস্তানের পাকিস্তানের সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ইমরান খান তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র ছিল বলে দাবি করেছিলেন। ওয়াশিংটন অবশ্য তাঁর এ দাবিকে অস্কীকার করেছে।
ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক ই-ইনসাফের একজন নেতা শিরিন মাজারি এক টুইটার পোস্টে জানিয়েছেন, ইলহান পিটিআই চেয়ারম্যানের বানি গালার বাসভবনে ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ইসলামভীতি ও এ সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ইলহান ওমর সরকারি সফরে পাকিস্তানে যাননি বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস। আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) থেকে পাকিস্তানে চার দিনের সফর শুরু করেছেন ইলহান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তাঁর উত্তরসূরি শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও দেখা করেছেন। এ সফরে তিনি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরও সফর করেন। ভারত তাঁর এ সফরের নিন্দা করেছে। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘যদি এই ধরনের রাজনীতিবিদ বাড়িতে তাঁর সংকীর্ণ মানসিকতার রাজনীতি অনুশীলন করতে চান তবে সেটা তাঁর ব্যাপার। তবে সেটি করতে গিয়ে আমাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা হলে সেটি তখন আমাদের ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়। এটা নিন্দনীয়।’
যুক্তরাষ্ট্র আজ শুক্রবার ইলহানের সফরের ব্যাখ্যা দিয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নেড প্রাইস বলেন, ‘ইলহান ওমর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তরফে পাকিস্তান সফর করছেন না। তাঁর এ সফর সম্পর্কে তাঁর দপ্তরই ব্যাখ্যা দিতে পারবে।’
২০-২৪ এপ্রিল পর্যন্ত সফরে ইলহান ওমর ইসলামাবাদে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের কিছু অংশ পরিদর্শন করবেন। এ ব্যাপারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, এ মার্কিন কংগ্রেস ওম্যান পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সম্পর্কে আরও বেশি বোঝার জন্য লাহোর এবং ‘আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর’ সফর করবেন।
সফরের প্রথম দিনে তিনি পাকিস্তানের পাকিস্তানের সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ইমরান খান তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র ছিল বলে দাবি করেছিলেন। ওয়াশিংটন অবশ্য তাঁর এ দাবিকে অস্কীকার করেছে।
ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক ই-ইনসাফের একজন নেতা শিরিন মাজারি এক টুইটার পোস্টে জানিয়েছেন, ইলহান পিটিআই চেয়ারম্যানের বানি গালার বাসভবনে ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ইসলামভীতি ও এ সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৬ ঘণ্টা আগে