
গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির তৃতীয় দিনে আজ রোববার তৃতীয় দফায় জিম্মিদের মুক্তি দিতে যাচ্ছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। মুক্তি পেতে যাওয়া এই জিম্মিদের তালিকা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
নেতানিয়াহুর দপ্তর এই তালিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছে। এখন এই তালিকা যাচাইবাছাই করে দেখার পর জিম্মিদের পরিবারকে খবর দেওয়া হবে।
মূলত কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুসারে গত শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে সেই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। গাজায় চার দিনের যুদ্ধবিরতি এবং ১৫০ ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে মুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রথম দফায় ২৫ জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। বিপরীতে ইসরায়েলও ৩৯ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।
এরপর গতকাল শনিবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় দ্বিতীয় দিনে ১৩ ইসরায়েলিসহ মোট ১৭ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। মুক্তি পাওয়া অন্য চার জিম্মি থাইল্যান্ডের নাগরিক। বিপরীতে ৩৯ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল।
দ্বিতীয় দফার জিম্মি মুক্তিতে শুরুতে দেখা দেয় অনিশ্চয়তা। ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করেছে দাবি করে বেশ কয়েক ঘণ্টা বিলম্বে জিম্মিদের মুক্তি দেয় হামাস। তাদের শর্ত ছিল, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েল যতক্ষণ পর্যন্ত ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বন্দীদের মুক্তি দেবে না তারা। এরপর কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় এই অনিশ্চয়তা কেটে যায়।
গত ৭ অক্টোবর থেকেই গাজা অবরুদ্ধ করে নির্বিচার বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পাশাপাশি তারা গাজায় স্থল অভিযান চালাতে থাকে। গাজার হামাস সরকারের তথ্যানুযায়ী, অবরুদ্ধ উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে। ইসরায়েলে হামাসের হামলায়ও মারা যায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি।

গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির তৃতীয় দিনে আজ রোববার তৃতীয় দফায় জিম্মিদের মুক্তি দিতে যাচ্ছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। মুক্তি পেতে যাওয়া এই জিম্মিদের তালিকা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
নেতানিয়াহুর দপ্তর এই তালিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছে। এখন এই তালিকা যাচাইবাছাই করে দেখার পর জিম্মিদের পরিবারকে খবর দেওয়া হবে।
মূলত কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুসারে গত শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে সেই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। গাজায় চার দিনের যুদ্ধবিরতি এবং ১৫০ ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে মুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রথম দফায় ২৫ জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। বিপরীতে ইসরায়েলও ৩৯ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।
এরপর গতকাল শনিবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় দ্বিতীয় দিনে ১৩ ইসরায়েলিসহ মোট ১৭ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। মুক্তি পাওয়া অন্য চার জিম্মি থাইল্যান্ডের নাগরিক। বিপরীতে ৩৯ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল।
দ্বিতীয় দফার জিম্মি মুক্তিতে শুরুতে দেখা দেয় অনিশ্চয়তা। ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করেছে দাবি করে বেশ কয়েক ঘণ্টা বিলম্বে জিম্মিদের মুক্তি দেয় হামাস। তাদের শর্ত ছিল, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েল যতক্ষণ পর্যন্ত ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বন্দীদের মুক্তি দেবে না তারা। এরপর কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় এই অনিশ্চয়তা কেটে যায়।
গত ৭ অক্টোবর থেকেই গাজা অবরুদ্ধ করে নির্বিচার বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পাশাপাশি তারা গাজায় স্থল অভিযান চালাতে থাকে। গাজার হামাস সরকারের তথ্যানুযায়ী, অবরুদ্ধ উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে। ইসরায়েলে হামাসের হামলায়ও মারা যায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
৫ মিনিট আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
১ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো বিপর্যস্ত। তবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্যেও জীবন থেমে থাকেনি দেশটির মানুষের। বরং অন্ধকার, শীত আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে তারা নতুন নতুন উপায়ে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে