
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতের মাঝে এক মর্মান্তিক ও রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ইরানের হরমুজগান প্রদেশে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, আজ শনিবার সকালে মিনাব শহরে ‘শাজারেয়ে তাইয়্যেবাহ’ নামক একটি বালিকা বিদ্যালয়ে সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৩ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে এবং আরও ৬৩ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মিনাব প্রদেশের গভর্নর মোহাম্মদ রাদমেহর এই বর্বরোচিত হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে স্কুল ভবনটি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মর্মান্তিক এ ঘটনার পর মিনাব শহরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আহত ও নিহতদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় পুরো অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল শনিবার ভোররাত থেকেই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যৌথভাবে এ ভয়াবহ আগ্রাসন শুরু করে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর এমন সরাসরি আক্রমণকে ইরান সরকার যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং এর চরম প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
স্কুলে এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইতিমধ্যে ইসরায়েলের দখলকৃত এলাকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে।
শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে চালানো এই প্রতিশোধমূলক হামলায় পুরো অঞ্চল এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। তেহরান থেকে জানানো হয়েছে, নিরীহ শিক্ষার্থীদের ওপর এ হামলার জবাব তারা রণক্ষেত্রেই দেবে।

দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আর কূটনৈতিক ব্যর্থতার অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্য এখন এক সর্বাত্মক যুদ্ধের দাবানলে জ্বলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ঘোষণার পর তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলো এখন মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে প্রকম্পিত।
১০ মিনিট আগে
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যৌথ হামলাকে ‘ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি নির্মূল’ করার লক্ষ্য হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হামলা নিয়ে দেওয়া এক ভিডিওতে তিনি জানান, ইরানের সামরিক সক্ষমতা বিশেষ করে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়াই এখন...
১ ঘণ্টা আগে
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ধর্মীয় শাসনব্যবস্থাকে রক্ষার জন্য আইআরজিসি গঠিত হয়। বর্তমানে এর আনুমানিক ১ লাখ ৯০ হাজার সক্রিয় সদস্য রয়েছেন। এই বাহিনীর নিজস্ব স্থল, নৌ ও বিমান শাখা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের ভেতরে যেকোনো বিক্ষোভ দমনে তারা ‘বাসিজ’ নামের একটি ধর্মীয় মিলিশিয়া বাহিনীকে ব্যবহার করে।
১ ঘণ্টা আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং তার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে