
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ২৫০ দিনে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে। গতকাল বুধবার হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর হামলা শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ২০২ জন। ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম আল-কুদসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৮৪ হাজার ৯৩২ জন আহত হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। এর মধ্যে শিশু ১৪ হাজার ৮০০ জনের বেশি এবং নারী ৮ হাজার জনের বেশি। এ ছাড়া নিখোঁজ হয়েছে আরও অন্তত ৮ হাজার জন।
এদিকে, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর প্রায় ৮ মাস পর গত সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রস্তাব পাশ করেছে। তবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাশ হলেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে নৃশংসতা অব্যাহত রেখেছে। আল-কুদসের প্রতিবেদন অনুসারে, দখলদারত্ব ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ৩টি গণহত্যা চালিয়েছে। এতে ৩৮ জন নিহত ও অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন।
এর আগে, গত ৭ অক্টোবর গাজার নিকটবর্তী ইসরায়েলি শহর ও গ্রামে হামাসের অভিযানের সময় অন্তত ১ হাজার ১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হয়। সেদিন হামাস ২৪৩ জনকে জিম্মি করে আনে। প্রতিক্রিয়ায় সেদিনই ইসরায়েল গাজায় আগ্রাসন শুরু করে।
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় বেসামরিক প্রাণহানির পাশাপাশি অঞ্চলটির হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থীশিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। এ ছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ২৫০ দিনে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে। গতকাল বুধবার হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর হামলা শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ২০২ জন। ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম আল-কুদসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৮৪ হাজার ৯৩২ জন আহত হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। এর মধ্যে শিশু ১৪ হাজার ৮০০ জনের বেশি এবং নারী ৮ হাজার জনের বেশি। এ ছাড়া নিখোঁজ হয়েছে আরও অন্তত ৮ হাজার জন।
এদিকে, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর প্রায় ৮ মাস পর গত সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রস্তাব পাশ করেছে। তবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাশ হলেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে নৃশংসতা অব্যাহত রেখেছে। আল-কুদসের প্রতিবেদন অনুসারে, দখলদারত্ব ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ৩টি গণহত্যা চালিয়েছে। এতে ৩৮ জন নিহত ও অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন।
এর আগে, গত ৭ অক্টোবর গাজার নিকটবর্তী ইসরায়েলি শহর ও গ্রামে হামাসের অভিযানের সময় অন্তত ১ হাজার ১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হয়। সেদিন হামাস ২৪৩ জনকে জিম্মি করে আনে। প্রতিক্রিয়ায় সেদিনই ইসরায়েল গাজায় আগ্রাসন শুরু করে।
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় বেসামরিক প্রাণহানির পাশাপাশি অঞ্চলটির হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থীশিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। এ ছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৪২ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে