আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনে একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান নিশ্চিত করা এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিল সৌদি আরব ও ফ্রান্স। তবে ইরানে ইসরায়েলি হামলার কারণে সেই উদ্যোগ আপাতত স্থগিত হয়ে যায়। সম্প্রতি উদ্যোক্তা দুই দেশ আবারও সেই সম্মেলন আয়োজনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছে। আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজে খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও ফ্রান্সের যৌথ আয়োজনে ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলন এ মাসের শেষ দিকে আবার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমে এই সম্মেলন ১৭-২০ জুন আয়োজনের কথা ছিল। তবে ১৩ জুন ইসরায়েল ১২ দিনের সামরিক অভিযানে ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করলে সেটি স্থগিত করা হয়।
গতকাল শুক্রবার শুক্রবার আরব নিউজকে একাধিক কূটনীতিক নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান সংক্রান্ত মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত শিগগিরই জানানো হবে।’
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। এর লক্ষ্য হলো—দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে কয়েক দশকের পুরোনো সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটানো।
গত মাসে সম্মেলন স্থগিতের সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছিলেন, নিরাপত্তা ও আনুষঙ্গিক কারণে সম্মেলন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, তবে এটি ‘যত দ্রুত সম্ভব’ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এই বিলম্ব আমাদের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের সংকল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না।’
সম্মেলনের সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ সপ্তাহে তিনি যুক্তরাজ্যকেও একই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে ১৪৭টি দেশ ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পর্যবেক্ষক মর্যাদা থাকলেও পূর্ণ সদস্যপদ নেই।
গত মে মাসে জাতিসংঘের এক প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মানাল রাদওয়ান বলেন, সম্মেলনটি এমন এক ‘ঐতিহাসিক জরুরি মুহূর্তে’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন গাজা ‘সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিন প্রশ্নে শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করতে সৌদি আরব সেই সব দেশের পাশে দাঁড়াতে পেরে গর্বিত, যারা কূটনৈতিকভাবে একটি বাস্তব, অপরিবর্তনীয় ও রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ফিলিস্তিনে একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান নিশ্চিত করা এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিল সৌদি আরব ও ফ্রান্স। তবে ইরানে ইসরায়েলি হামলার কারণে সেই উদ্যোগ আপাতত স্থগিত হয়ে যায়। সম্প্রতি উদ্যোক্তা দুই দেশ আবারও সেই সম্মেলন আয়োজনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছে। আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজে খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও ফ্রান্সের যৌথ আয়োজনে ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলন এ মাসের শেষ দিকে আবার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমে এই সম্মেলন ১৭-২০ জুন আয়োজনের কথা ছিল। তবে ১৩ জুন ইসরায়েল ১২ দিনের সামরিক অভিযানে ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করলে সেটি স্থগিত করা হয়।
গতকাল শুক্রবার শুক্রবার আরব নিউজকে একাধিক কূটনীতিক নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান সংক্রান্ত মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত শিগগিরই জানানো হবে।’
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। এর লক্ষ্য হলো—দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে কয়েক দশকের পুরোনো সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটানো।
গত মাসে সম্মেলন স্থগিতের সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছিলেন, নিরাপত্তা ও আনুষঙ্গিক কারণে সম্মেলন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, তবে এটি ‘যত দ্রুত সম্ভব’ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এই বিলম্ব আমাদের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের সংকল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না।’
সম্মেলনের সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ সপ্তাহে তিনি যুক্তরাজ্যকেও একই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে ১৪৭টি দেশ ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পর্যবেক্ষক মর্যাদা থাকলেও পূর্ণ সদস্যপদ নেই।
গত মে মাসে জাতিসংঘের এক প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মানাল রাদওয়ান বলেন, সম্মেলনটি এমন এক ‘ঐতিহাসিক জরুরি মুহূর্তে’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন গাজা ‘সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিন প্রশ্নে শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করতে সৌদি আরব সেই সব দেশের পাশে দাঁড়াতে পেরে গর্বিত, যারা কূটনৈতিকভাবে একটি বাস্তব, অপরিবর্তনীয় ও রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৩ ঘণ্টা আগে