ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান মসজিদে নববিতে মহানবী (সা.)–এর রওজা শরিফ ভ্রমণে নতুন বিধি জারি করেছে সৌদি আরব। একজন মুসলিম বছরে মহানবী (সা.)–এর রওজা শরিফে একবারের বেশি যেতে পারবেন না বলে জানিয়েছে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে খবরটি জানান হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, কোনো মুসলিম শেষবার ভ্রমণের ৩৬৫ দিন পর আবার মহানবী (সা.)–এর রওজা শরিফে যাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। নুসুক বা তাওয়াক্কলনা অ্যাপের মাধ্যমে ভ্রমণপ্রত্যাশীদের এই আবেদন করতে বলা হয়েছে। সে সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে যে ভ্রমণের আবেদনকারী করোনায় আক্রান্ত নন এবং করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসেননি।
মক্কায় আছে গ্র্যান্ড মসজিদ বা মসজিদুল হারাম আর মদিনায় মসজিদের নববী এবং নবীজি (সা.)–এর সমাধি। সারা বিশ্বের মুসলিমেরা গ্র্যান্ড মসজিদে নামাজ পড়তে যান। হজ ও ওমরাহ পালনে আসা মুসল্লিরা ছাড়াও মদিনায় অবস্থিত মহানবী (সা.)–এর রওজা শরিফ জিয়ারতে যান অনেকেই। তবে মহানবী (সা.)–এর রওজা শরিফ পরিদর্শন এবং সেখানে জিয়ারত করতে ইচ্ছুক মুসলিমদের সেখানে যাওয়ার আগে সরকারি অনুমতি নিতে হবে।
প্রায় ছয় মাস আগে শুরু হওয়া এবারের মৌসুমে ওমরাহ বা ভ্রমণের জন্য প্রায় ১ কোটি মুসলমান সৌদি আরবে যাবেন বলে প্রত্যাশা করছে দেশটির সরকার। গত এপ্রিলে সৌদি কর্তৃপক্ষ মসজিদে নববির পবিত্র কক্ষের চারপাশে সোনালি পিতলের বেষ্টনী তৈরি করেছে।
কর্তৃপক্ষ বলেছে, মহানবী (সা.)–এর রওজা শরিফ এবং মসজিদে নববীর পবিত্র কোরআনের কপি ধারণ করা কেবিন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই বেষ্টনীর নকশা তৈরি করা হয়েছে। খাঁটি পিতলের তৈরি ৮৭ মিটার দীর্ঘ বেষ্টনীটি মহানবী (সা.)–এর রওজা শরিফকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে।
ভ্রমণপ্রত্যাশীদের আগমন ও রক্ষণাবেক্ষণের চাপে এই বেষ্টনীর ক্ষতি হবে না বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৬ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে