
ইসরায়েলের বিচার বিভাগের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় আইন পাস করেছিল দেশটির পার্লামেন্ট। এই আইনের উদ্যোক্তা ছিল দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার। তবে সেই আইন বাতিল করে দিয়েছেন ইসরায়েলি সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল সোমবার এক ঐতিহাসিক রায়ে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সুপ্রিম কোর্টের এই রায় দেশটির রাজনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করতে পারে। কারণ, গাজাকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে এরই মধ্যে ব্যাপকভাবে উত্তপ্ত করে রেখেছে। যুদ্ধ যদি মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সে ক্ষেত্রে সংকট আরও গভীর হতে পারে।
ইসরায়েলের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, এই আইন দেশের গণতন্ত্রকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করত। সুপ্রিম কোর্টের ১৫ জন বিচারকের একটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে একেবারে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এই রায় দেওয়া হয়। ১৫ জন বিচারকের মধ্যে আটজন বিচারক আইনটি বাতিলের পক্ষে রায় দেন। বাকিরা মত দেন এর বিপরীতে।
দীর্ঘ সাত মাসের বিতর্কের পর গত বছরের জুলাই মাসে ইসরায়েলের পার্লামেন্টে বিচার বিভাগের ক্ষমতা কমানোসংক্রান্ত বিলটি পাস হয়। এই আইন পাস হওয়ার আগে ইসরায়েলি বিচার বিভাগ চাইলে সরকারের গৃহীত যেকোনো সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে ঘোষণা বা বাতিল করতে পারত। কিন্তু নতুন আইন পাসের পর বিচার বিভাগের সেই ক্ষমতা আর ছিল না।
নেতানিয়াহু সরকারের বিচার বিভাগ সংস্কার পরিকল্পনার কারণে দেশটিতে কয়েক মাস ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়, যা নেতানিয়াহুর সরকারকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। এই পরিকল্পনার কারণে এরই মধ্যে ইসরায়েলে গভীর ধর্মীয়, জাতিগত ও শ্রেণিগত বিভাজন প্রশস্ত হয়েছে, সামরিক বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, শেকেলের অবমূল্যায়ন হয়েছে। এমনকি মিত্রদের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। আইনটি পাসের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই আইনের সমালোচনা করেছিলেন।

ইসরায়েলের বিচার বিভাগের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় আইন পাস করেছিল দেশটির পার্লামেন্ট। এই আইনের উদ্যোক্তা ছিল দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার। তবে সেই আইন বাতিল করে দিয়েছেন ইসরায়েলি সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল সোমবার এক ঐতিহাসিক রায়ে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সুপ্রিম কোর্টের এই রায় দেশটির রাজনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করতে পারে। কারণ, গাজাকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে এরই মধ্যে ব্যাপকভাবে উত্তপ্ত করে রেখেছে। যুদ্ধ যদি মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সে ক্ষেত্রে সংকট আরও গভীর হতে পারে।
ইসরায়েলের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, এই আইন দেশের গণতন্ত্রকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করত। সুপ্রিম কোর্টের ১৫ জন বিচারকের একটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে একেবারে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এই রায় দেওয়া হয়। ১৫ জন বিচারকের মধ্যে আটজন বিচারক আইনটি বাতিলের পক্ষে রায় দেন। বাকিরা মত দেন এর বিপরীতে।
দীর্ঘ সাত মাসের বিতর্কের পর গত বছরের জুলাই মাসে ইসরায়েলের পার্লামেন্টে বিচার বিভাগের ক্ষমতা কমানোসংক্রান্ত বিলটি পাস হয়। এই আইন পাস হওয়ার আগে ইসরায়েলি বিচার বিভাগ চাইলে সরকারের গৃহীত যেকোনো সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে ঘোষণা বা বাতিল করতে পারত। কিন্তু নতুন আইন পাসের পর বিচার বিভাগের সেই ক্ষমতা আর ছিল না।
নেতানিয়াহু সরকারের বিচার বিভাগ সংস্কার পরিকল্পনার কারণে দেশটিতে কয়েক মাস ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়, যা নেতানিয়াহুর সরকারকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। এই পরিকল্পনার কারণে এরই মধ্যে ইসরায়েলে গভীর ধর্মীয়, জাতিগত ও শ্রেণিগত বিভাজন প্রশস্ত হয়েছে, সামরিক বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, শেকেলের অবমূল্যায়ন হয়েছে। এমনকি মিত্রদের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। আইনটি পাসের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই আইনের সমালোচনা করেছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৮ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৪৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে