আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধ চালাচ্ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী পপুলার ফোর্সেস। ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম কানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন গোষ্ঠীটির নেতা ইয়াসির আবু শাবাব। অভিযোগ আছে, ইসরায়েল এই গোষ্ঠীকে সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে।
কানের বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারে গাজার রাফাহ এলাকায় হামাসের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে কাজ করার কথা স্বীকার করেছেন হামাসবিরোধী ‘পপুলার ফোর্সেসের’ নেতা ইয়াসির আবু শাবাব।
সাক্ষাৎকারে আবু শাবাব বলেন, হামাসের বিরুদ্ধে একটি গৃহযুদ্ধ চলছে, এটি থামানো যাবে না। তিনি দাবি করেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়ার সদস্যরা কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত নন।
গত মাসে ইসরায়েলের আর্মি রেডিওকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে আবু শাবাব ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে সেখানে তিনি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কথা নিশ্চিত করেন। সেই সময় তিনি বলেন, ভবিষ্যতে মানবিক সহায়তা বিতরণের মতো বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) সঙ্গে সহযোগিতা করতে তিনি আপত্তি করবেন না।
গতকাল রোববার কানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হামাসের অত্যাচার ও নির্যাতন নিজেদের গায়ে টের পেয়েছি। এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করা আমাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্যায় ও দুর্নীতি দূর করার চিন্তাভাবনা গ্রহণ করা যেকোনো বৈধ শক্তিকে আমরা সমর্থন করি।’
আবু শাবাব জানান, তাঁর দল ‘পপুলার ফোর্সেস’ বিভিন্ন উৎস থেকে লজিস্টিক ও আর্থিক সহায়তা পায়। তবে তিনি নির্দিষ্টভাবে কোনো উৎসের নাম বলেননি। তিনি আরও দাবি করেন, হামাস ক্ষমতা ছাড়ার পর গাজায় নিয়ন্ত্রণ নেবে ‘পপুলার ফোর্সেস।’
কান তাঁকে উদ্ধৃত করে বলেছে, হামাস এটা জানে ও বোঝে, হামাস ধ্বংস হওয়ার পর গাজায় উত্তরাধিকারী হবে পপুলার ফোর্সেস। এ ছাড়া আবু শাবাব বলেন, তাঁর দল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সমন্বয় রয়েছে, কিন্তু কোনো সামরিক সমন্বয় নেই। পিএ আমাদের সংগঠনকে অস্ত্র বা সহায়তা দেয় না; সমন্বয় শুধু প্রশাসনিক পর্যায়ে।’
এই সাক্ষাৎকারের কয়েক দিন আগে হামাসের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইয়াসির আবু শাবাব ও তাঁর গোষ্ঠীর সদস্যদের আত্মসমর্পণের জন্য ১০ দিনের আলটিমেটাম দেয়। আত্মসমর্পণ না করলে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করার হুঁশিয়ারি দেয় তারা।
হামাসের অভিযোগ, আবু শাবাব ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’, ‘শত্রুপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা’, ‘সশস্ত্র দল গঠন’ ও ‘বিদ্রোহে’ জড়িত। আলটিমেটাম সম্পর্কে জানতে চাইলে আবু শাবাব বলেন, ‘৭ অক্টোবরে ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তারাই হচ্ছে হামাস। ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্ভোগ, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন, নিরপরাধ মানুষ হত্যার জন্য তারাই দায়ী। আগে নিজেদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাক, অন্য কাউকে নয়।’

ফিলিস্তিনের গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধ চালাচ্ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী পপুলার ফোর্সেস। ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম কানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন গোষ্ঠীটির নেতা ইয়াসির আবু শাবাব। অভিযোগ আছে, ইসরায়েল এই গোষ্ঠীকে সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে।
কানের বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারে গাজার রাফাহ এলাকায় হামাসের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে কাজ করার কথা স্বীকার করেছেন হামাসবিরোধী ‘পপুলার ফোর্সেসের’ নেতা ইয়াসির আবু শাবাব।
সাক্ষাৎকারে আবু শাবাব বলেন, হামাসের বিরুদ্ধে একটি গৃহযুদ্ধ চলছে, এটি থামানো যাবে না। তিনি দাবি করেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়ার সদস্যরা কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত নন।
গত মাসে ইসরায়েলের আর্মি রেডিওকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে আবু শাবাব ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে সেখানে তিনি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কথা নিশ্চিত করেন। সেই সময় তিনি বলেন, ভবিষ্যতে মানবিক সহায়তা বিতরণের মতো বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) সঙ্গে সহযোগিতা করতে তিনি আপত্তি করবেন না।
গতকাল রোববার কানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হামাসের অত্যাচার ও নির্যাতন নিজেদের গায়ে টের পেয়েছি। এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করা আমাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্যায় ও দুর্নীতি দূর করার চিন্তাভাবনা গ্রহণ করা যেকোনো বৈধ শক্তিকে আমরা সমর্থন করি।’
আবু শাবাব জানান, তাঁর দল ‘পপুলার ফোর্সেস’ বিভিন্ন উৎস থেকে লজিস্টিক ও আর্থিক সহায়তা পায়। তবে তিনি নির্দিষ্টভাবে কোনো উৎসের নাম বলেননি। তিনি আরও দাবি করেন, হামাস ক্ষমতা ছাড়ার পর গাজায় নিয়ন্ত্রণ নেবে ‘পপুলার ফোর্সেস।’
কান তাঁকে উদ্ধৃত করে বলেছে, হামাস এটা জানে ও বোঝে, হামাস ধ্বংস হওয়ার পর গাজায় উত্তরাধিকারী হবে পপুলার ফোর্সেস। এ ছাড়া আবু শাবাব বলেন, তাঁর দল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সমন্বয় রয়েছে, কিন্তু কোনো সামরিক সমন্বয় নেই। পিএ আমাদের সংগঠনকে অস্ত্র বা সহায়তা দেয় না; সমন্বয় শুধু প্রশাসনিক পর্যায়ে।’
এই সাক্ষাৎকারের কয়েক দিন আগে হামাসের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইয়াসির আবু শাবাব ও তাঁর গোষ্ঠীর সদস্যদের আত্মসমর্পণের জন্য ১০ দিনের আলটিমেটাম দেয়। আত্মসমর্পণ না করলে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করার হুঁশিয়ারি দেয় তারা।
হামাসের অভিযোগ, আবু শাবাব ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’, ‘শত্রুপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা’, ‘সশস্ত্র দল গঠন’ ও ‘বিদ্রোহে’ জড়িত। আলটিমেটাম সম্পর্কে জানতে চাইলে আবু শাবাব বলেন, ‘৭ অক্টোবরে ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তারাই হচ্ছে হামাস। ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্ভোগ, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন, নিরপরাধ মানুষ হত্যার জন্য তারাই দায়ী। আগে নিজেদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাক, অন্য কাউকে নয়।’

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৪ মিনিট আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৩২ মিনিট আগে
যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
২ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে একাধিক ‘সহিংস দাঙ্গায়’ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির পর স্থানীয় সময় রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। নিহত ইরানিদের স্মরণে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভা শোক পালন করছে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে