
গাজায় খাদ্যসহ অন্যান্য ত্রাণসহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। এই অবস্থায় জাতিসংঘ বলছে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে গাজায় অন্তত ৫ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার গাজায় ফিলিস্তিনিরা যখন খাদ্য সংগ্রহে বিভিন্ন ত্রাণের ট্রাকের সামনে জড়ো হয়েছিল, ইসরায়েলি বাহিনী সেই ভিড় লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি এখনো।
ইসরায়েল গাজার সব ক্রসিং পয়েন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। খোলা রেখেছে মাত্র একটি। যার ফলে অঞ্চলটিতে খাদ্যসংকট ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থার (ওসিএইচএ) উপপ্রধান রমেশ রাজাসিংহাম নিরাপত্তা পরিষদে বলেছেন, ‘ফেব্রুয়ারির শেষ সময়ে এসে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, গাজার জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ—৫ লাখ ৭৬ হাজার—দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক কদম দূরে।’
গাজার খাদ্যসংকটের ফলাফল উল্লেখ করতে গিয়ে রমেশ বলেছেন, গাজার প্রতি ছয়জন শিশুর মধ্যে একজন তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে এবং গাজায় ২৩ লাখেরও বেশি মানুষের জন্য যে পরিমাণ খাদ্য তা নিতান্তই অপ্রতুল। তিনি বলেন, ‘তার পরও কিছু করা হচ্ছে না। আমরা আশঙ্কা করছি, গাজার দুর্ভিক্ষ এড়ানোর আর কোনো উপায় নেই বললেই চলে এবং এই সংঘর্ষে আরও বহু মানুষ হতাহত হবে।’
রাজাসিংহাম জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাধার কারণে জাতিসংঘ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো গাজায় ন্যূনতম ত্রাণ সরবরাহ করতে অপ্রতিরোধ্য বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এর মধ্যে—ক্রসিং বন্ধ করে দেওয়া, চলাচল ও যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ, কঠোর যাচাই-বাছাই পদ্ধতি, যুদ্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র অন্যতম কারণ।
জেনেভায় ওসিএইচএর মুখপাত্র জেনস লায়েরকে সাংবাদিকদের বলেছেন, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কারণে গাজায় সাহায্য পৌঁছে দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি বলেছেন, ‘সহায়তা কনভয়গুলো হামলার শিকার হচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে প্রয়োজনীয় লোকজন গাজায় প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। মানবিক সহায়তা কর্মীদের ইসরায়েলি বাহিনীর তরফ থেকে হয়রানি, ভয় দেখানো হয়েছে বা আটক করা হয়েছে।’

গাজায় খাদ্যসহ অন্যান্য ত্রাণসহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। এই অবস্থায় জাতিসংঘ বলছে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে গাজায় অন্তত ৫ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার গাজায় ফিলিস্তিনিরা যখন খাদ্য সংগ্রহে বিভিন্ন ত্রাণের ট্রাকের সামনে জড়ো হয়েছিল, ইসরায়েলি বাহিনী সেই ভিড় লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি এখনো।
ইসরায়েল গাজার সব ক্রসিং পয়েন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। খোলা রেখেছে মাত্র একটি। যার ফলে অঞ্চলটিতে খাদ্যসংকট ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থার (ওসিএইচএ) উপপ্রধান রমেশ রাজাসিংহাম নিরাপত্তা পরিষদে বলেছেন, ‘ফেব্রুয়ারির শেষ সময়ে এসে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, গাজার জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ—৫ লাখ ৭৬ হাজার—দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক কদম দূরে।’
গাজার খাদ্যসংকটের ফলাফল উল্লেখ করতে গিয়ে রমেশ বলেছেন, গাজার প্রতি ছয়জন শিশুর মধ্যে একজন তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে এবং গাজায় ২৩ লাখেরও বেশি মানুষের জন্য যে পরিমাণ খাদ্য তা নিতান্তই অপ্রতুল। তিনি বলেন, ‘তার পরও কিছু করা হচ্ছে না। আমরা আশঙ্কা করছি, গাজার দুর্ভিক্ষ এড়ানোর আর কোনো উপায় নেই বললেই চলে এবং এই সংঘর্ষে আরও বহু মানুষ হতাহত হবে।’
রাজাসিংহাম জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাধার কারণে জাতিসংঘ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো গাজায় ন্যূনতম ত্রাণ সরবরাহ করতে অপ্রতিরোধ্য বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এর মধ্যে—ক্রসিং বন্ধ করে দেওয়া, চলাচল ও যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ, কঠোর যাচাই-বাছাই পদ্ধতি, যুদ্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র অন্যতম কারণ।
জেনেভায় ওসিএইচএর মুখপাত্র জেনস লায়েরকে সাংবাদিকদের বলেছেন, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কারণে গাজায় সাহায্য পৌঁছে দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি বলেছেন, ‘সহায়তা কনভয়গুলো হামলার শিকার হচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে প্রয়োজনীয় লোকজন গাজায় প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। মানবিক সহায়তা কর্মীদের ইসরায়েলি বাহিনীর তরফ থেকে হয়রানি, ভয় দেখানো হয়েছে বা আটক করা হয়েছে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে