
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত ৭০ লাখ ইরানি নাগরিক স্বেচ্ছায় সামরিক সেবা প্রদানের জন্য নাম লিখিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।
গালিবাফ তাঁর পোস্টে লেখেন, প্রচারণার ফলে লাখ লাখ ইরানি নাগরিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘অস্ত্র তুলে নিতে এবং জাতির প্রতিরক্ষায় রুখে দাঁড়াতে প্রস্তুত’ বলে অঙ্গীকার করেছেন।
গালিবাফ তাঁর পোস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ঐতিহাসিক প্রতিরোধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও এটি (প্রতিরোধ) করেছি এবং আবারও তা করতে প্রস্তুত। আপনারা আমাদের ঘরে আক্রমণ করতে এসেছেন...আসুন। এখানে আপনাদের ‘‘পুরো পরিবারের’’ সঙ্গেই আপনাদের দেখা হবে।’
শত্রুদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে গালিবাফ বলেন, ‘সাহস থাকলে এগিয়ে আসো।’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যৌথ হামলা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই সংঘাত বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘ওটা মাটির অনেক গভীরে, আমি ওসবের পরোয়া করি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সেদিকে নজর রাখব।’ অথচ এক দিন আগেও তিনি যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হিসেবে ‘ইরানি শাসনের পতন’ ও ‘পারমাণবিক সক্ষমতা নির্মূল’ করার কথা জোর দিয়ে বলেছিলেন।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে ১৯৯৪ সালে নিখোঁজ হওয়া এক কিশোরীকে ৩২ বছর পর জীবিত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এই ‘কোল্ড কেস’ সমাধান হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সংশ্লিষ্ট পরিবার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের আঁচ এবার পৌঁছেছে ভারতের শয়নকক্ষে। দেশটির ৮ হাজার ১৭০ কোটি রুপির কনডম উৎপাদন শিল্প বর্তমানে ভয়াবহ সরবরাহ সংকটের মুখে পড়েছে। এর ফলে বাজারে পণ্যটির ব্যাপক ঘাটতি এবং খুচরা পর্যায়ে এর দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের ভাষণের আগে ধারণা করা হয়েছিল, চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় তিনি হয়তো ইতিবাচক কিছু বলবেন। যুদ্ধ বন্ধ না হোক, অন্তত তিনি এমন কিছু বলবেন, যা মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফেরাবে এবং সংকট নিরসনে উভয় পক্ষকে নমনীয় করবে। কিন্তু এমন কিছুই হয়নি। উল্টো তাঁর ভাষণের পর দুই পক্ষেই উত্তেজনা বেড়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে