
হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল নিরাপদ করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে গারগাশ বলেন, মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ইরানের বর্তমান ‘কৌশল’ মূলত এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রভাবকে শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, ইরানের এই কৌশল প্রকৃতপক্ষে মার্কিন ভূমিকাকে আরও সুসংহত করবে; এটি কোনোভাবেই কমাবে না। আমরা উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েলি প্রভাবকে আরও প্রকট হতে দেখব, যা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।
সম্প্রতি ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা আলটিমেটামের পরিপ্রেক্ষিতে আমিরাতের এই অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করলে ইরানের ওপর ‘নরক’ নামিয়ে আনা হবে। এই উত্তেজনার মধ্যেই আমিরাত সরাসরি মার্কিন সামরিক চেষ্টায় শামিল হওয়ার ইঙ্গিত দিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য একটি ‘অপরাধমূলক মানসিকতার’ প্রতিফলন। এসব বক্তব্য ‘যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
২৪ মিনিট আগে
পশ্চিম তীরে প্রত্নতত্ত্ব এখন শুধু অতীত খোঁজার বিজ্ঞান নয়, এটি হয়ে উঠেছে গভীর রাজনৈতিক বিতর্কের একটি ক্ষেত্র। পশ্চিম তীর অঞ্চলের নানা খননকাজ ঘিরে ইতিহাস, পরিচয় ও ভূখণ্ডের দাবি নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
গালিবাফ বলেন, ‘আপনার বেপরোয়া পদক্ষেপগুলো প্রতিটি মার্কিন পরিবারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে একটি “জীবন্ত নরকে” পরিণত করছে। আপনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশ অনুসরণ করায় আমাদের পুরো অঞ্চল এখন পুড়ে ছাই হওয়ার পথে।’
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তিনি ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় একা পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন। তাঁর কাছে একটি হ্যান্ডগান ছিল। তিনি পাহাড়ের একটি ফাঁকে আশ্রয় নেন এবং প্রায় ৭ হাজার ফুট (২ হাজার মিটার) উচ্চতার একটি রিজ লাইনে (শৈলরেখা) ওঠেন।
২ ঘণ্টা আগে