আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অনলাইনে সাধারণ জনগণের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইরানের নেতৃত্ব। অনেক ইরানিই মনে করছেন, এই যুদ্ধ দেশের জনগণের নয়, বরং এটি শাসকগোষ্ঠীর যুদ্ধ।
আজ মঙ্গলবার রাতে বিবিসি লাইভের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে কঠোর সেন্সরশিপ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত হলেও বহু মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। এর মানে এই নয় যে তাঁরা ইসরায়েলের হামলাকে সমর্থন করছেন, বরং দীর্ঘদিনের দমন-পীড়নে তাঁরা এতটাই ক্ষুব্ধ যে অনেকে প্রকাশ্যে বর্তমান ইসলামিক শাসনের বিরোধিতা করছেন।
এদিকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শক্তি কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে রসিকতা বা ব্যঙ্গ করার কারণে অনেককে গ্রেপ্তার করছে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা। তেহরানের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তাঁর ১৪ বছর বয়সী ছেলেটিকে শুধু একটি মিম পোস্ট করায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে নেওয়া হয়। পরে ছেলেকে ছাড়িয়ে আনতে তাঁকে কর্মকর্তাদের কাছে গিয়ে হাতে-পায়ে ধরতে হয়েছে।
এ বিষয়ে রিপোর্ট করতে গিয়ে বিবিসি পারসিয়ানের সাংবাদিক জাইয়ার গল বলেছেন, ‘এটাই এখন ইরানের বাস্তবতা—ভয়ের পরিবেশ, যেখানে সরকারবিরোধী কৌতুকও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।’
অন্যদিকে ইসরায়েল সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকেও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। এই বাহিনীগুলো ইরানে প্রতিবাদ ও গণ-অসন্তোষ দমন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে অনেকে তাঁদের কৌশলগত আক্রমণের অংশ হিসেবে দেখছেন, যার লক্ষ্য শুধু সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নয়, বরং সরকারি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকেও দুর্বল করা।

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অনলাইনে সাধারণ জনগণের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইরানের নেতৃত্ব। অনেক ইরানিই মনে করছেন, এই যুদ্ধ দেশের জনগণের নয়, বরং এটি শাসকগোষ্ঠীর যুদ্ধ।
আজ মঙ্গলবার রাতে বিবিসি লাইভের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে কঠোর সেন্সরশিপ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত হলেও বহু মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। এর মানে এই নয় যে তাঁরা ইসরায়েলের হামলাকে সমর্থন করছেন, বরং দীর্ঘদিনের দমন-পীড়নে তাঁরা এতটাই ক্ষুব্ধ যে অনেকে প্রকাশ্যে বর্তমান ইসলামিক শাসনের বিরোধিতা করছেন।
এদিকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শক্তি কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে রসিকতা বা ব্যঙ্গ করার কারণে অনেককে গ্রেপ্তার করছে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা। তেহরানের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তাঁর ১৪ বছর বয়সী ছেলেটিকে শুধু একটি মিম পোস্ট করায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে নেওয়া হয়। পরে ছেলেকে ছাড়িয়ে আনতে তাঁকে কর্মকর্তাদের কাছে গিয়ে হাতে-পায়ে ধরতে হয়েছে।
এ বিষয়ে রিপোর্ট করতে গিয়ে বিবিসি পারসিয়ানের সাংবাদিক জাইয়ার গল বলেছেন, ‘এটাই এখন ইরানের বাস্তবতা—ভয়ের পরিবেশ, যেখানে সরকারবিরোধী কৌতুকও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।’
অন্যদিকে ইসরায়েল সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকেও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। এই বাহিনীগুলো ইরানে প্রতিবাদ ও গণ-অসন্তোষ দমন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে অনেকে তাঁদের কৌশলগত আক্রমণের অংশ হিসেবে দেখছেন, যার লক্ষ্য শুধু সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নয়, বরং সরকারি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকেও দুর্বল করা।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩১ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে